Category: না বলা কথা

  • “অর্ধেক ভালো বেসো না”

    তাকে কখনো ভালোবেসো না
    যে অর্ধেক প্রেমিক
    তাকে তুমি কখনো বন্ধু ভেবোনা
    যে অর্ধেক বন্ধু
    সেই কাজ কখনো করোনা যে কাজ
    তুমি অর্ধেক পারো
    জীবনে অর্ধেক বেঁচো না
    বাঁচলে পুরোটাই বাঁচো
    অর্ধেক মরো না
    মরলে পুরোটাই মরো
    যদি চুপ করে থাকো
    তাহলে পুরোটা সময়ই নির্বাক থেকো
    যদি কথা বলো অর্ধেক নয়
    পুরোটাই বলো
    কিছু বলতে গিয়ে অর্ধেকে
    থেমে যেওনা
    এমন কথা বোলোনা যাতে
    অর্ধেকে চুপ হয়ে যেতে হয়
    যদি স্বীকার করো পুরোটাই করো
    অর্ধেক নয়
    যদি প্রত্যাখান করো অর্ধেক নয়
    পুরোটাই করো
    কোনো কিছুরই সমাধান
    অর্ধেকে খুঁজো না
    বিশ্বাস করলে পুরোটাই করো
    অর্ধেক কোরো না
    স্বপ্ন দেখলে পুরোটাই দেখো
    অর্ধেক দেখো না
    আশা করলে পুরোটাই করো
    অর্ধেক কোরো না
    তৃষ্ণা জাগলে পুরোটাই মেটাও
    অর্ধেক পান কোরোনা
    ক্ষুধা লাগলে পুরোটাই খাও
    অর্ধেক ভুখা থেকো না
    অর্ধেক পথে থেমে যেওনা
    তাহলে গন্তব্য খুঁজে পাবে না
    অর্ধেক চিন্তায় থেমে গেলে
    কোনো সমাধান পাবে না
    তুমি তো সম্পূর্ণ একটা মানুষ
    তুমি তো সম্পূর্ণ একটা জীবন
    তাহলে কেনো অর্ধেকে থেমে যাবে
    তোমাকে বাঁচতে হলে অর্ধেকে নয়
    পূর্ণতাতেই বাঁচতে হবে
    জীবনে অর্ধেকে বেঁচো না
    বাঁচলে পুরোটাই বাঁচো
    অর্ধেক ভালোবেসো না
    বাসলে পুরোটাই বাসো।

    মূল কবিতা : Do not love half lovers
    কবি : কাহলিল জিবরান

  • সংসার আসলেই কি..?

    সংসার মানেই ফিল্মি ভালোবাসা হয় না। এটা একটা মেয়ে বিয়ের অনেক পরে বুঝে। সে স্বপ্নে কিংবা কল্পনায় শাখরূখ খানের মতো যে রোমান্স দেখতো তা ধীরে ধীরে বুঝতে পারে ওটা কেবলই একটা ফেরিটেল গল্প।

    বেশির ভাগ পুরুষই তার বউকে ততোটা সময় দেয় না যতটা একজন সেনসেটিভ মেয়ে চায়। সব মেয়েরা এটা এডজাস্ট করে নেয় কিন্তু ঝামেলা বাঁধে কিছু মেয়ের ক্ষেত্রে, যে মেয়েগুলো বইয়ের তাকে ভালোবাসা লুকিয়ে রেখেছিল তাদের নিয়ে, যে মেয়েগুলো বৃষ্টি এলেই ভিজতে উঠোন পেরোতো, যে মেয়েগুলো এক মুঠো লাল কাঁচের চুড়ি কিংবা কয়টা বেলি ফুলের মালায় খুশি হয় তাদের নিয়ে।

    ও টাইপ মেয়েগুলো যখন বউ হয়ে আসে তখন সে ভিতরে ভিতরে তার একটা দুনিয়া সাজিয়ে রাখে। তার বেলকোনি জুড়ে থাকে কামিনী ফুলের সুবাস। তার কল্পনার রাজ্য জুড়ে থাকে রূপকথার ঘুম ঘর। আস্তে আস্তে মেয়েগুলো বুঝতে পারে এটা যুদ্ধ ক্ষেত্র এখানে কোনো রূপকথা লুকানো নেই শুধুই দায়িত্বের বোঝা।
    এখানে কোনো ছোট ছোট ভালো লাগার দাম নেই কেবলই বিষাদ বিকেল।

    মেয়েগুলো নিজেকে গুটিয়ে নেয় নিজের স্বপ্ন ও কল্পনার জগত কে মাটি চাপা দিয়ে। রোজ বৃষ্টি হলে শুকনো কাপড়গুলো ছাদ হতে আনতে গিয়ে বিষন্ন হয়। একটা নাটক দেখে ইমোশনাল হয়ে গিয়ে কান্না করে লুকিয়ে। এখনও তার ভিতরে একটা বাচ্চা বাস করে কিন্তু সে বাচ্চাটাকে সে আর বাস্তবে আনে না।

    নিজের আলাদা জগতে একটা দেয়াল টেনে, বিষন্ন চোখে কেবল আকাশ দেখে। তাদেরই ভালোবাসার কমতিতে মুড সুয়িং হয় ।

    📸 কলকাতা দর্শন

  • এক বিবাহিত নারীর গল্প

    তোমার সবচেয়ে বড় খুঁতটি খুজে বের করবে তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন । তাদের চোখে তুমি কখনই পারফেক্ট হতে পারবে না ।

    তুমি একটু বেশি বুঝলে দোষ , তোমার কথায় তাদের কথা ফিরিয়ে দিলে বলবে বেয়াদপ । তুমি একটা ছেলের সমান বুঝলে বলবে পাকনা । তোমার গায়ের রংয়ের কিংবা আকৃতির কথা , তোমার বাবার সম্পত্তি কত আছে তার গণনা , তোমার বাবা বিয়ের সময় কি দিয়েছিল তার বর্ননা , এবং তাদের ভাগ্য কতটা খারাপ তোমার মত বউ এসেছিল বলে তার জাজমেন্ট তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকেরা করবে। তোমাকে মোটেও কষ্ট করে চিন্তা করতে হবে না এ বিষয়ে । এই ধাক্কা খেয়েও যদি চুপ করে থাকো তবে কেঁচোর মত মেরুদন্ড না থাকে তবে ভাল বৌ হতে পারবে । আর না হয় সর্বনাশ তুমি মেয়ে জাতীয় মানুষই হতে পারলে না এই ট্যাগটা সরাসরি তোমার গায়ে চাপিয়ে দিবে ।

    স্বামী বেচারা যদি তোমাকে পছন্দ করে ও বিয়ে করে তবুও সে ম্যানুপুলেট হয়ে যাবে । আরে বইন এত নেগেটিভ মন্তব্যে কখনই কোন মানুষ পজেটিভ হতে পারে ? মোটেও না ।

    বাংলাদেশের অধিকাংশ মেয়ের শ্বাশুড়ীর চাহিদা থাকে একজন স্মার্ট দেখতে সুন্দর , শিক্ষিত , লাজুক , ধনী পরিবার থেকে আসা ঘরের কাজে পারদর্শী কাজের বুয়া । যে সব রান্না করতে পারবে , সংসার সামলাতে পারবে , এবং ননদ দেবদের জন্য নিবেদিত প্রান থাকবে ।এই যে শাশুড়ী আম্মারা ২৫ বছর সংসার সামলালো তুমি আসার পর পরই তার পেনশন পাক্কা , যেই ঘরে ঢোকলে সেই তার মনে হতে থাকবে এই মেয়ে আমার কপি হবে নতুবা রিজেক্ট । তার আর তখন সংসারে কাজ করার মন থাকবে না কিন্তু মাতুব্বরি করার মন ঠিকই থাকবে।

    এই যে একটা মেয়ে , কিছু না জেনে না বুঝে প্রচন্ড আদরে মানুষ হয়ে আসলো এই যে সংসার কুরুক্ষেত্রে তাকে শিখাতে আসবে টা কে বলো শুনি?একটা শ্বাশুড়ী হিসেবে নিজের বৌকে জাজমেন্ট না করে তার মেয়ে হিসেবে করলে কিন্তু এই সমস্যা গুলো থাকে না । কথায় কথায় বাপের বাড়ী থেকে কি শিখে এসেছো না বলে তাকে শ্বশুর বাড়ী থেকে ভালোবাসা দিয়ে শিখানো হয় তবে কখনই মনে হবে না একজন মেয়ের একজাষ্ট করতে না পারার কথা । ভালোবাসা হলো বিনিয়োগ একবার করলে লাভ সহ ফেরত আসে । যদি ভাল ফল পেতেই চান তবে বিনোয়োগ শিখো দু পক্ষেরই বিনিয়োগ প্রয়োজন তবে সংসার সুন্দর হবে ।

    @azimafhn

    @bclr.bd

    Kazol

Design a site like this with WordPress.com
Get started