৬০ বছর? বড়জোর ৭০ নাহয় ৭৫ বছর! খুব লাকি হলে ৮০+! এক বছরে ৩৬৫ দিন হয়! প্রতিদিনে ৮৬৪০০ সেকেন্ড!
খুব বেশি সময় নিয়ে আসেননিতো! টিক টক করে করে সেকেন্ড কিন্তু চলে যাচ্ছে! টুপ করে হাতে জমে থাকা সব সেকেন্ড শেষ হয়ে আসবে একদিন!
একজন মানুষের কাছে যখন কয়েকশো কোটি টাকা থাকে তখন তাকে টাকার বিলাসিতা মানায়! যার কাছে কয়েকশো টাকা আছে তাকে কিন্তু টাকার বিলাসিতা মানায়না! আপনার আয়ু যদি কয়েক হাজার বছর হতো তাইলে সময়ের বিলাসিতা আপনাকে মানাতো! এতো অল্প আয়ুতে মন খারাপ, কষ্ট, পচা ব্যাপারস্যাপার গুলোতে সময় নষ্টের সুযোগ কই!?
ফ্যামিলিকে সময় দিন, ভালো বই পড়ুন, টুক করে বেড়িয়ে আসুন চমৎকার কোন জায়গায়! রাত জেগে আকাশ দেখুন! ভোরের সূর্যোদয় দেখুন! সন্ধ্যায় পাখিরা কিভাবে ঘরে ফেরে সেটা দেখুন! নদীর ঢেউ অনুভব করুন!
ভরা পূর্ণিমাতে এবং ভরা অমাবস্যায় তীব্র জোয়ারে ফুসে ওঠা সাগরকে দেখুন! প্রতিদিন সময় করে আধাঘন্টা কোন শিশুবাবুর সাথে থাকুন! নিষ্পাপ আনন্দের ঔচ্ছল্য দেখুন! স্রষ্টাকে স্মরণ করুন!
একজন পুরুষের জীবনে ‘‘মা এবং স্ত্রী’’ এই দুটি মানুষই গুরুত্বপূর্ণ এবং সম্মানিত। একজন পুরুষের জীবনের প্রতিটি অধ্যায়ে এই দুইটি মানুষের অবদান। তার জন্ম থেকে মৃত্যু অব্দি, এই দুটি মানুষই থেকে যায় স্নেহ, মমতা ও ভালোবাসার ছায়া হয়ে।
একজন মা তার ছেলেকে জন্ম দেন নাড়ি থেকে, একজন স্ত্রী সেই ছেলেকেই জন্ম দেন হৃদয় থেকে। একজন মা তার অদেখা ছেলেকে অনুভব করেন পেটে হাত রেখে দশ মাস, একজন স্ত্রী সেই অচেনা ছেলেকেই অনুভব করেন বুকে হাত রেখে সারাটা জীবন। একজন মা জন্ম দেন একজন শিশু পুত্রকে, একজন স্ত্রী জন্ম দেন একজন পরিণত পুরুষকে। একজন মা তার সন্তানকে হাত ধরে হাঁটতে শেখান, একজন স্ত্রী সেই সন্তানের হাত ধরেই জীবনের সমস্ত পথটা হাটেন। একজন মা তার সন্তানকে কথা বলতে শেখান, একজন স্ত্রী প্রিয় বন্ধু হয়ে সারাজীবন তার কথা বলার সঙ্গী হয়ে ওঠেন। সন্তানের দায়িত্ব কাঁধে আসতেই মা তার সমস্ত পৃথিবী ভুলে যান, আবার স্ত্রী সেই সন্তানের দায়িত্ব নেবেন বলেই তার সমস্ত পৃথিবীটা ছেড়ে একদিন চলে আসেন। সন্তান না খেতে পারলে পাতের সেই উচ্ছিষ্ট খাবার মা এবং স্ত্রী উভয়েই খান, আবার সন্তান এবং স্বামীর মঙ্গল কামনায় উপবাস মা এবং স্ত্রী দুজনেই করে থাকেন। সন্তানকে বড় করেও সন্তানের থেকে প্রতিটা মাকেই আঘাত পেতে হয়। আবার স্বামীকে বিয়ে করেও প্রত্যেকটি স্ত্রীকে এক না একদিন নির্যাতিত হতেই হয়। মায়ের কাছে সন্তানের জীবনে দায়িত্ব নেওয়ার শুরু প্রায় কুড়ি বছর। স্ত্রীর কাছে স্বামীর জীবনের দায়িত্ব নেভানোর শেষ বাকি ষাটটি বছর(কখনো কখনো সেটি আশি বছরেও যেতে পারে যদি আয়ু একশো বছর হয়)। সন্তানের শৈশবে তার মল মুত্র মা-ই পরিস্কার করেন। সন্তান যখন বৃদ্ধ হন তখন তার এই একই দায়িত্ব স্ত্রীর কাঁধেই বর্তায়। মায়ের কোল হল সেই কোল যেখানে সন্তানের জন্ম হয় অর্থাৎ প্রথম বিছানা। স্ত্রীর কোল হল সেই কোল যেখানে মৃত্যু হয় অর্থাৎ শেষ বিছানা। গর্ভ থেকে জন্ম নেওয়াটাই মা ও স্ত্রীর মধ্যে যদি সবচেয়ে বড় পার্থক্য হয়ে থাকে তাহলে শেষ কথা একটাই বলব- “একজন আপনাকে গর্ভে ধারণ করেছেন, অন্যজন আপনার জন্য গর্ভধারণ করবেন।” “একজন আপনাকে জন্ম দিয়ে মা হয়েছেন, অন্যজন আপনার জন্য আরেক জনকে জন্ম দিয়ে মা হবেন।”
পুরুষের জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একজন নারীর মমতা আর যত্নেই কেটে যায়। এক নারী তার মা, আরেক নারী তার স্ত্রী। তাই কখনোই কোনও একজনের জন্য অপরজনকে কষ্ট দেয়াটা পুরুষত্বের মধ্যে পড়ে না। সেই পুরুষ আসলে মানুষই না!
কখনো কখনো নিজের অনুভূতি বোঝানো যায় না। শুধু ভেতরে ভেতরে হাহাকার লাগে, ভীষণ একা লাগে, অসহায় লাগে! অপরিচিত মুখ আর মানুষের ভীড়ে, নিজেকে কতটা নিঃস্ব লাগে, তার অনুভূতি হয়তো কখনোই বলে বোঝানো যায় না!
অথচ জন্মানোর সময় একা ছিলাম, আবার মৃ ত্যু র পরেও একা হয়ে যাবো! মাঝের যে জীবনটা, যতদিন বেঁচে থাকলাম, এই একাকিত্ববোধ আর অসহায়বোধ আর ঘুচলো না!
আমার জীবনে খুব বেশি কিছু চাওয়ার ছিল না কখনোই। শুধু যে অল্প ক’দিন বাঁচবো, অন্তত একা হয়ে বাঁচতে চাইনি। অথচ কি কপাল, হতাশা আর একাকিত্বে জীবনের স্বাদটাই ভুলে গেছি! মৃ ত্যু র আগেই কেমন একা হয়ে গেছি!
একজন পুরুষ মানুষ যখন কোন নারীকে ভালবাসে , সে ভালবাসায় একজন নারীর ভালবাসা থেকে বিস্তর পার্থক্য থাকে । সে ভালবাসা থাকে অসম্ভব সুন্দর ।
পুরুষ মানুষ সত্যিকার কাউকে ভালবাসলে সে কখনই ও নারীর সাথে চিট করার কথা চিন্তা ও করতে পারবে না । সে নারীর প্রতি অনেক প্রটেকটিভ মানুষিকতা তার থাকবে । দুনিয়ার সবার কাছে মিথ্যা বললেও ওই নারীর কাছে সে মিথ্যা বলতে পারবে না ।
কথা গুলো অসাধারণ
সে কখনও ওই নারীকে সন্তানের মত টিট্র করবে , কখনও বোনের মত তাকে প্রোটেকট করবে । তাকে তার পুরো দুনিয়া দেওয়ার চেষ্টা করবে । তার জীবনে সে নারীর গুরত্ব অনেক থাকে । তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মতই সে ওই নারীকে তার পৃথিবীতে জায়গা দিবে ।
দিনশেষে ওই নারীর কাছে তার পুরোটা তাকে শেয়ার করবে । কোন ইগো সেই নারীর সাথে দেখাবে না । একজন পুরুষ সত্যিকার কোন নারীকে যদি ভালবাসে সে বাচ্চাদের মত নিজেকে ওই নারীর কাছে জমা দিবে । তার রাগ অভিমান সামলে নেওয়ার দায়িত্বটা ওই নারীর যেনো কর্তব্য । পুরুষ মানুষের এমন ভালবাসা একমাত্র ভাগ্যবান নারীরাই পায় ।
ক্যান্সার আক্রান্ত বারো বছরের মেয়েটাকে ডাক্তার আদর করে জিজ্ঞেস করলেন, ‘বড় হয়ে কি হতে চাও মা?’ মেয়েটি বললো, “বড় হওয়া পর্যন্ত বাঁচতে চাই”। স্বপ্নের কত রঙ! আকাঙ্ক্ষার কত আঙ্গিক! বাঁচার আকুতি কত হৃদয়বিদারক! হাত বিহীন মানুষটার স্বপ্নের কেন্দ্রবিন্দু যদি আমার হাতগুলো ঠিক থাকতো! পা ছাড়া লোকের সাধ তো একটাই – যদি একদিন চলতে পারতাম সবার মতই। অন্ধের স্বপ্ন যদি একটাবারের জন্য দেখতে পারতাম দুনিয়ার রঙ!! আর বোবার সব আকাঙ্ক্ষা যেন একটু কথা বলতে পারলেই পূরণ হতো!! মেধাবীর বাবা মা যখন সন্তান গোল্ডেন না পাওয়ার কারণে বকাঝকা করছে, তখন শত বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী সন্তানকে ঘিরে তাদের বাবা মায়ের স্বপ্ন, ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার নয়, সে শুধুমাত্র স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসুক, আপাতত এটুকুই! আইসিইউ-র ভেতরের মানুষটা শুধু একটাবার কাঁচের দরজার এপাশে বেরুতে চায়! আপনি যখন লিখাটা পড়ছেন, ঠিক এই মূহুর্তে মৃত্যুশয্যায় হাজারো মুমূর্ষের আর একটা মাত্র নিঃশ্বাস নেয়ার হাহাকার! এ হাহাকার দুনিয়ার শত ডিপ্রেশনকে ভুলিয়ে দেয়! শীতের রাতে ফুটপাত, বাসস্টপ কিংবা রেলস্টেশনে মানুষের রাত্রি যাপন করার দৃশ্য বস্তিবাসীদের কষ্টও ভুলিয়ে দেয়। দিনশেষে তার একটু মাথাগোঁজার ঠাঁইটুকুন রয়েছে, এদের সেটাও নেই! আপনার গ্রামের সবচেয়ে বড়লোক, শহরের উঁচু দালান দেখে নিজেকে হতভাগ্য ভাবেন! দুনিয়া ধোঁকার বস্তু, কখনো কাউকে তৃপ্ত করবে না! যেন হাওয়াই মিঠাই!! আপনি যত অপূর্ণতায় ভোগেন, ভেবে দেখবেন, ‘আপনার সৃষ্টিকর্তা আপনাকে এমন অনেক কিছু দিয়ে রেখেছেন যা অনেকের কাছে এখনো স্বপ্ন।’ যে চোখ দিয়ে পড়ছেন, অনেকের সেই চোখে আলো নেই। তিনবেলা পেটপুরে খেয়ে, ভালো জামাকাপড় পরে, স্বাচ্ছন্দ্যে দুনিয়ার জমিনে চলতে পেরে, সুস্থ থেকেও যদি আপনি বলেন ডিপ্রেশনে আছেন, বেঁচে থাকতে ভালো লাগছে না বলেন, তাহলে আপনি জেনে বুঝে সৃস্টিকর্তাকে দোষারোপ করছেন! আ/ ত্মহ/ ত্যা মহাপাপ মনে হয় এই কারণেই! কিন্তু সমস্যা একটাই- আমরা শুধু অন্যের সুখটাই দেখি!! আর সেটিই বোধহয় আমাদের আসল অসুখ!!! (সংগ্রহ)
আরবিতে প্রিয়তমা স্ত্রীকে বলা হয়, ‘রাব্বিয়াতুল বাইত’, অর্থাৎ ঘরের রাণী।
প্রেম করার জন্য মেয়ের অভাব না হলেও সংসার করার জন্য মেয়ের অভাব রয়েছে। প্রেম করা যায় এমন সকল মেয়েই সংসারী হতে পারেনা, রাব্বাতুল বাইত হবার যোগ্যতা রাখেনা।
কিন্তু সংসারী প্রত্যেকটা মেয়েই প্রেমময়। রাব্বাতুল বাইত। সংসারী বলতে কী বুঝায় ? ঘরের রাণী কেমন হওয়া উচিত ? . সিনেমা নাটকে সম্পর্ক যেভাবে উপস্থাপন করে! যেমনঃ একসাথে প্রতিদিন ঘুড়ে বেড়ানো, ঘাড়ে চড়িয়ে নিয়ে ঘুরা, রেস্টুরেন্ট চেকইন, সবুজ মাঠে আকাশের দিকে তাকিয়ে হাতে হাত রেখে শুয়ে শুয়ে আকাশ দেখা, রোমান্স ইত্যাদি- আসলে বাস্তবতা এমন না।
অনেকে শুধু এই থিওরী তে বিয়ে করতে আগ্রহী যে বিয়ের পর দুইজন একসাথে রোমান্স করব, ঘুরব, রেস্টুরেন্ট এ যাবো আর চেক ইন দিব , আর ফিজিক্যাল ব্যাপারটা তো আছেই, সেটা বিয়ের একমাত্র উদ্দেশ্য না হলেও বিয়ের অন্যতম উদ্দেশ্য এবং গুরুত্বপূর্ণও। . কিন্তু জীবন এত সহজ না। এখানে অনেক গুলো ঝামেলার ব্যাপার আছে। সংসারে অভাব আসবে, ঝামেলা আসবে, মনোমালিন্য কথা ধরা ধরি দেখা দিবে, সদস্য গুলোর মধ্যে ভুল বুঝাবুঝি হতে পারে, চিন্তা বিষন্নতা আসবে, এক সময় মনেও হবে বিয়ে করে ভুল করেছি, হয়ত কঠিন কোন বিপদ আসবে, অসুখ বিসুখ হবে কারোর ইত্যাদি। তারপর আল্লাহ যখন নেয়ামত হিসেবে সন্তান দান করবেন, সেই সন্তান একই সাথে নেয়ামত আবার পরীক্ষা, কাউকে সন্তান দিয়ে পরীক্ষা করা হয়, কাউকে না দিয়ে। মুলত সংসার জীবনটাই পরীক্ষা।
কিন্তু এই সব কিছুকে ম্যানেজ করা যায় যে একজনকে সাথে নিয়ে এমন কাউকে বিয়ে করা যায়, এমন কারোর সাথেই সম্পর্ক টা হওয়া উচিত।
. যৌবনের পুরোটা জুড়েই একজন মানুষ ফ্যান্টাসী তে ভুগে। ঠোটে ঠোট ডুবাতে সবারই ভালো লাগে, কিন্তু বৃদ্ধ বয়সে যখন সেই ঠোট দিয়ে লালা ঝরবে তখন সেটা পরিষ্কার করে দেওয়ার মানসিকতা কয়জনের আছে ?
যার সাথে বিছানায় প্রতিনিয়ত যৌবন উপভোগ করা হয় সেই মানুষটিই বৃদ্ধকালে যখন বার্ধক্যজনিত কারণে বিছানায় পড়ে থাকবে, বিছানা নষ্ট করবে সেই সময়গুলিতে প্রতিনিয়ত তার সেবা করা সেভাবেই উপভোগ করতে প্রস্তুত তো ? এইগুলো কি কেউ চিন্তা করে দেখি ? . আধুনিক কালের বেশিরভাগ সম্পর্ক গুলো ফ্যান্টাসী দিয়ে শুরু হয়, তাই ফ্যান্টাসী শেষে আবার ভেঙ্গেও যায়, এমনকি বিয়ে হলেও ভেংগে যায়। যেই চামড়া দেখে আকৃষ্ট হচ্ছি, সন্তান হবার পর যখন সেই চামড়া গুলোতে টান পড়বে, ফিগার মুটিয়ে যাবে তখনও আমরা আকৃষ্ট হবো তো ?
আসলে সম্পর্ক গড়ার সময় এইসবের খেয়াল আসে না। কারন শুধুমাত্র তাতক্ষনিক কে নিয়ে ভাবা হয় সেই সম্পর্কে। শারীরিক সৌন্দর্য, ক্ষনিকের আনন্দ ডেটিং গুলোই সেখানে মুখ্য থাকে।
. বিয়ে করার জন্য খুব সাবধানে পাত্রী পছন্দ করা উচিত। আপনার সংগী আপনার পোষাক, পোষাক এর কাজ ইজ্জত আব্রু রক্ষা করা, সে আপনার দ্বীন কে পূর্নাংগকারী, দ্বীনের অর্ধেক, আপনার ইহকাল পরকাল জড়িয়ে আছে তার সাথে। কেবল ফ্যান্টাসীতে ভুগে ফ্যান্টাসী ভালো জমবে কে প্রাধান্য দিয়েই জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া উচিত না।
. একজন সচ্চরিত্রবান মেয়ে কে স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলে, যদি কোন কারনে তার স্বামীর শারীরিক গঠন, চেহারা তার অপছন্দও হয় তবুও সারাজীবন সে তার স্বামীকে ভালোবেসে সেবা করে যাবে শুধু আল্লাহ এর সন্তুষ্টির জন্য। স্বামীর সন্তুষ্টিতে আল্লাহ এর সন্তুষ্টি, স্বামী কারোর উপর সন্তুষ্ট থাকলে সে খুব সহজেই জান্নাতের যেকোন দরজা দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। জান্নাতে তার কোন চাওয়া পাওয়া অপূর্ণ থাকবেনা ভেবে এই দুনিয়াটা সে শোকর বা সবর করেই কাটিয়ে দিবে।
অনুরূপ ভাবে একজন সচ্চরিত্রবান ছেলে কে স্বামী হিসেবে গ্রহন করলে কোন কারনে তার স্ত্রীর শারীরিক গঠন, সৌন্দর্য ইত্যাদি তাকে সন্তুষ্ট না করলেও সেও আল্লাহ এর সন্তুষ্টির জন্য সারা জীবন স্ত্রীকে ভালোবেসে যাবে, তার সেবা করবে কারন রাসূল (সাঃ) এর ভাষ্যমতে সেই সর্বোত্তম যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।
. তাই বিয়েতে কেবল এবং কেবলই একজন আল্লাহ ভীরু, আল্লাহ লাভার কে প্রাইওরিটি দেওয়া উচিত। সাথে আল্লাহ সৌন্দর্য, বংশমর্যাদা এবং শিক্ষা মেলালে আলহামদুলিল্লাহ, আর না মেলালেও আলহামদুলিল্লাহ, আল্লাহ অন্যদিক দিয়ে পুষিয়ে দিবেন।
অনেকেরই দেখা যায় স্বামী স্ত্রী দুইজনের চেহারাই হয়ত মোটামুটি কিন্তু সন্তানরা যেন একেকজন রাজপুত্র হয়েছে। আর এই দুনিয়ার সামান্য প্রাপ্যতাকে বিশাল সুদে পুষিয়ে রাখার জন্য তো আল্লাহ পরের দুনিইয়া প্রস্তুত রেখেছেন। এই সুদ হারাম বা, জীবনের একমাত্র হালাল সুদ।
You must be logged in to post a comment.