Category: Uncategorized

  • স্ত্রীকে ভালোবাসুন..!

    স্ত্রীকে ভালো না লাগার হাজারটা কারণ থাকতে পারে,কারণ সে মানবীয় ত্রুটির উর্ধ্বে না। তবে তাকে ভালোবাসার জন্য একটি কারণই যথেষ্ট….“সে আপনার সন্তানের মা”।

    🍂আমরা পুরুষ জাতি কৃষকের মতো। বীজ বপনের মৌসুমে বীজ ছড়িয়ে অপেক্ষা করি সুন্দর একটি অঙ্কুরোদগমের! ভালো ফলনের আশায় হয়তো জমির একটু যত্নও নেই! কিন্তু নরম মাটির বুক আঁকড়ে ধরে তার প্রানরস শুষে কিভাবে একটি বীজ গাছে রুপান্তরিত হয় তা আমাদের নিকট অজানা!

    একটি শরীরের মাঝে আরেকটি জীবন্ত শরীর টানা ৯ মাস ধরে বেড়ে ওঠার পিছনে লুকিয়ে থাকে, না জানা অনেক ভেজা গল্প! অশ্রুসজল নির্ঘুম রাত, তীব্র ক্ষুধা সত্বেও খেতে না পারার নির্মম কষ্ট, হাজারো শারীরিক জটিলতা এমনকি মৃত্যু ভয়কে উপেক্ষা করে সে অপেক্ষার প্রহর গোনে ‘পিতৃত্ব’ উপহার দিয়ে ভালোবাসার মানুষটির মুখের হাসি দেখতে!

    সন্তান জন্মদানের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার প্রতিটি মূহুর্তে অসহ্য সীমাহীন যন্ত্রণায় বুক বিদীর্ণ করা এক একটি মর্মন্তুদ চিৎকারের গভীরে কয় সাগর ব্যাথার অশ্রু ঝরে পড়ে তা কেবল আসমান-জমীনের মালিকই বোঝেন! তাইতো আসমান থেকেই তিনি এই কষ্টের স্বীকৃতি দিয়ে বলেনঃ
    وَ وَصَّیۡنَا الۡاِنۡسَانَ بِوَالِدَیۡہِ اِحۡسٰنًا ؕ حَمَلَتۡہُ اُمُّہٗ کُرۡہًا وَّ وَضَعَتۡہُ کُرۡہًا ؕ
    অর্থঃ আর আমি মানুষকে তার মাতা-পিতার প্রতি সদয় ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছি।(কারণ) তার মা তাকে অতিকষ্টে গর্ভে ধারণ করেছে এবং অতি কষ্টে তাকে প্রসব করেছে। (সূরা আহকাফঃ১৫)

    নাক-কান ফোঁড়ানোর সামান্য সূচ দেখে চিৎকার করা মেয়েটি আপনার প্রোথিত বীজের ফলটিকে আরও নিরাপদে আপনাকে হস্তান্তর করতে অস্ত্রোপচারের কক্ষে বীরাঙ্গনার মতো হেঁটে যায় স্বেচ্ছায় নিজেকে ডাক্তারের ধারালো অস্ত্রের নিচে বলী দিতে, আর ফিরে আসে স্ট্রেচারে পড়ে থাকা আহত ও রক্তাক্ত অবশ দেহটি নিয়ে! কখনোবা সত্যিকারের এই বীরাঙ্গনারা আঁতুড়ঘরের কোণায় কিংবা হাসপাতালের বেডে জীবনের ইতি টেনে নীরবে ওপারে চলে যায়!
    বলুন তো,এই মানুষটিকে ভালো না বেসে থাকা আদৌ সম্ভব কি?

    আপনার স্ত্রী ছিলো একজন বাবার রূপ সচেতন রাজকন্যা,যে বাবার গলা ধরে হরেকরকম প্রসাধনীর জন্য বায়না ধরতো। সৌন্দর্য রক্ষায় আপোষহীন সেই মেয়েটি আপনার সন্তানকে গর্ভে ধারণ করতে নিজের সৌন্দর্যকে চিরদিনের জন্য উৎসর্গ করে। একজন মা কখনোই তার পূর্বের শারীরিক গঠন ও সৌন্দর্য ফিরে পায় না জেনেও আপনার সেই বীরাঙ্গনা একটুও পিছপা হয়না।
    আপনার কারণে হারানো সেই সৌন্দর্যের জন্য যদি আপনিই খোঁটা দেন তখন কষ্টের তীরটা কিভাবে তার হৃদয়কে ফালি ফালি করে দেবে তা বোঝার জন্য খুব বেশি পরিমাণ বিবেকের প্রয়োজন হয় না!

    গর্ভে সন্তানের অঙ্কুর গজানোর দিন থেক শুরু করে আমৃত্যু মাতৃত্ব থেকে ছুটি না পাওয়া মানুষটিকে ভালো না বেসে পুরুষত্বের দাবী অযৌক্তিক নয় কি? ভাবুন,বিবেকের চক্ষু খুলে শতবার ভাবুন……!

    বিঃদ্রঃ- কোন পুরুষ এভাবে ভাবতে পারে না, আমি চাই আমার লেখাটা যারা পড়বে, তারা অন্তত একবার হলেও আমার লেখার মতো করে ভাবুক। পরিবর্তন আসবেই, আসবে।।

  • নামাজ পড়তেই হবে..!

    কাল হঠাৎ ইউটিউবে সার্চ দিলাম… “নামায কেনো পড়তেই হবে?”
    “ওযুর জন্য পানি নেই, তায়াম্মুম করেন, তায়াম্মুমের ব্যবস্থা নেই, তায়াম্মুম ছাড়াই নামায পড়ুন।
    কিবলামুখী হয়ে নামায পড়তে হয়, কিবলামুখী বুঝতে পারছেন না, যেকোনো দিক হয়েই নামায পড়ুন।
    দাঁড়িয়ে নামায পড়তে পারছেন না? বসে পড়েন। বসে না পড়তে পারলে শুয়ে পড়েন।
    পরিষ্কার কাপড় পড়ে নামায পড়তে হয়। পরিষ্কার কাপড় না থাকলে প্রসাব, পায়খানা লাগা কাপড় পড়েই নামায পড়েন, কোনো কাপড় না থাকলে উলংগ হয়ে নামায পড়েন।
    ট্রেনের প্রচন্ড ভিরে ঝুলে আছেন, আযান দিচ্ছে সেই অবস্থাতেই নামায পড়ুন ।
    নামায কি জিনিস, কি করে বুঝাই, এক আশ্চর্য ইবাদত যে ইবাদত কোনো অসুবিধা মানেনা।
    আপনি অসুস্থ টাকা দিলেন সেই টাকায় হজ্জ করলো অন্যজন। আপনার সাওয়াব হবে।
    আপনি অসুস্থ, ফকির কে খাওয়ালেন আপনি রোযার সাওয়াব পাবেন….
    হজ্জের বিকল্প আছে, রোযার বিকল্প আছে। নামায এমন এক ইবাদত যার কোনো বিকল্প নেই।
    নামায কি জিনিস কি করে বুঝাই?????”
    আমার ভাই বোনেরা,” নামায পড়ুন”
    আপনার জীবনে যাই আসুক, “নামায পড়ুন।”

    আপনার জীবনে যতোই খারাপ কাজ করেন না কেন, পরিমাণে যতই বেশি হোক না কেন, “নামায পড়ুন”।
    কোন ছাড় নেই।
    বোন বলছেন, “আপনি হিজাব পরেন না”,
    আমি আপনাকে বলছি “নামায পড়ুন”
    বোন বলছেন, আমার কাপড় নামাযের উপযোগী নয়।আমি আপনাকে বলছি,”নামায পড়ুন”
    ভাই বলছেন, “আমি মদ পান করি”
    নামায পড়ুন
    “আমি ড্রাগ বিক্রি করি”
    নামায পড়ুন
    “আমি ড্রাগ সেবন করি”
    “নামায পড়ুন”
    “আমার একটি মেয়ে বন্ধু আছে এবং আমি তার সাথে রাত্রি যাপন করি। “
    “নামায পড়ুন”।
    আপনার জীবনে যাই আসুক না কেনো নামায পড়ুন
    “ভাই আমি কিভাবে পাপ কাজ করার পাশাপাশি নামায পড়বো? এটি নামাযের প্রতি অসম্মান জনক ও আমার ভন্ডতা প্রকাশ পায়”
    আমি বলছিনা এজন্যই আমরা নামায পড়ি কারণ আমরা ভালো না, আমি পাপী, আমরা ভুল করছি।
    আপনি তবুও নামায পড়ুন।
    আল্লাহ বলেছেন, “নামায অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে বিরত রাখে।”
    “নামায পড়ুন”
    কিছু মানুষ বলে আমাকে ভালোপথে আসতে দাও। ইন শা আল্লাহ আমি নামায পড়া শুরু করে দিবো।
    বন্ধুরা নামায ব্যতীত আপনি ভালো পথে আসতে পারবেন না। এজন্যই আমরা নামায পড়ি যাতে ভালোপথে আসতে পারি।
    আপনার জীবনে যাই আসুক না কেন, আপনি যেখানেই থাকেন না কেন, নামাজ পড়ুন।

    মনে রাখবেন, আপনি যে অবস্থাতেই থাকুন না কেন, নামাজ পড়তেই হবে..!

    * সংগৃহিত

    *** নামাজ : কোনো বিকল্প নেই

  • কাউকে ভালোবাসো..?

    কাউকে ভালোবাসো ?

    তাহলে নিজেকে ততটুকু যোগ্য করে তোল সে মানুষটার জন্য বেঁচে থাকার ।কাউকে ভালোবাসো ? তবে নিজেকে ততটুকুই ভালোবাসো যতটুকু ভালোবাসলে সে তোমাকে ভালোবাসতে বাধ্য ।

    এই যে বিরহ বলো মধুর , এই যে কাপুরুষের মত বলো মরে যাওয়া সহজ তবে মরেই যাও । কারন কিছু ভালোবাসা সেক্রিফাইজের আহুতি দিয়ে তৈরী ওটা ভালোবাসা না । তুমি বাজারে গেলে কাপড় জড়ালে গায় , কিন্তু তুমি ভাবলে এই যে কাপড়টা পড়ার তুমি যোগ্য না এই অপারগতা তোমার দূর্বলতা । দূর্বল মানুষ কখনো কাউকে ভালোবাসতে পারে না ।কারন সে ডিসাইড করতে পারে না তার কি চাই ।

    কাউকে ভালোবাসো ? তবে তার জন্য বাঁচো আজীবনের জন্য তাকে চাইতে থাকো । তার জন্য রাস্তা তৈরী করো যেখানে সে তোমার হয়েই জীবন পাড়ি দিবে । ভালোবাসলে নিজেকে গড়ো । পৃথিবীতে মানুষ একবারই জন্মায় , তার সাথে স্মৃতি তৈরী করো । একসাথে চেষ্টা করো জীবনের শেষ হাসিটা হাসার ।

    @azimafhn

  • খাওয়ারপরহাঁটবেন_কেন

    ডা. অপূর্ব চৌধুরী

    বলা হয় – খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটা ঠিক নয় ! বিশেষ করে দিনের প্রধান তিনবেলা পেট ভরা ভারী খাবারের পর । কিন্তু এটি পুরোপুরি সঠিক নয় । খাওয়ার পর একটু হাঁটা, ওয়াশিংয়ের কিছু কাজ করা, ঘরের কোন কাজ করা, এমনকি পারলে দাঁড়িয়ে থাকা, শরীরের জন্যে ভালো । খাবার খেয়ে একটু বাহিরে হাঁটুন, ছাদে হাঁটুন, ঘরে হাঁটুন ।

    প্রথম প্রশ্ন – কতটুকু হাঁটবেন ! দশ মিনিটের কম নয়, আবার বেশিও নয় । শরীরের গঠন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট । এর বেশি নয় ।

    দ্বিতীয় প্রশ্ন – কেন এই অল্প সময় ! কারণ, এর চেয়ে বেশি হাঁটলে পেটে অস্বস্তি বোধ করবেন, শরীর খারাপ লাগবে । এতটুকু লিমিটেড হাঁটা আপনার শরীরের সেই উপকার টুকু করবে, যা আপনার দরকার, শরীরের দরকার ওই মুহূর্তে । কম করলে লাভ নেই, বেশি করলে ক্ষতি আছে । জোরে হাঁটবেন না তখন, রিলাক্স করে হাঁটবেন । অন্য সময় খালি পেটে জোরে হাঁটবেন ।

    তৃতীয় প্রশ্ন – তাহলে এই অল্প হাঁটা কেন ! প্রথমত : যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা হাঁটবেন । যাদের হার্টে কিংবা রক্তে কোলেস্টেরোলে সমস্যা আছে, তারা এমন হাঁটবেন । যাদের এসব সমস্যা নেই, বাকিরাও হাঁটবেন । খানিক এমন হাঁটলে খাদ্য পরিপাকে হেল্প করে, খাদ্য মুভ করে অন্ত্রে । বিশেষ করে কনস্টিপেশন, আইবিএস, বুক জ্বালাপোড়া করা, অযথাই খাদ্যে গুরুপাক হয়, পেপটিক আলসার আছে, তাদের ক্ষেত্রে এমন অল্প হাঁটায় উপকার পাবেন ।

    চতুর্থ প্রশ্ন – কেন ডায়াবেটিক রা এমন রেগুলার হাঁটবেন খাওয়ার পর । খাবারের পর সঙ্গে সঙ্গে শরীরে সবচেয়ে বেশি গ্লুকোজ বা সুগার বাড়ে । তখন শরীর দুর্বল লাগে, শরীরের অনেক ক্ষতি হয় । খাবারের পর সাময়িক অল্প সময় এই হাঁটা দ্রুত সুগার বেড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে । যাদের ব্লাড সুগার বেশি থাকে, ইন্সুলিন নিতে হয়, তারা যদি খাওয়ার পর প্রতিবেলায় ১৫ মিনিট করে এমন হাঁটেন, সারাদিনে আপনার ৪৫ মিনিট থেকে একঘন্টা এমন হাঁটা হয়ে যাবে তাহলে । আলাদা করে হাঁটার সময় বের করতে হয় না ।

    শরীর যেমনই থাকুক, হাঁটার চেয়ে উত্তম ব্যায়াম আর নেই । প্রতিবেলায় খাবার গ্রহণের পর এমন দশ মিনিট রুটিন করে নিলে আলাদা করে ব্যায়ামও করতে হয় না ।

    @azimafhn

  • আমরা কেমন পুরুষ..?

    লেখাটি বিবাহিতদের জন্যে প্রযোজ্য হলেও
    অবিবাহিতরাও আগামীর টিপ্ִস মনে করে পড়তে পারেন।
    অনেক অক্ষম পুরুষকে দেখেছি বউ পেটাতে
    সক্ষমতার পরিচয় দিতে। অনেক কাপুরুষ, ভীতু
    প্রকৃতির লোককে দেখেছি বউয়ের সঙ্গে বীরত্ব
    প্রদর্শন করতে। অনেক ভদ্র, শালীন ব্যক্তিকে
    দেখেছি বউয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী তুলে অশালীন
    গালিগালাজ করতে। অনেক মুখোশধারী
    ভালোমানুষকে দেখেছি স্ত্রীর বেলায় মূর্তিমান
    আতঙ্করূপে আবির্ভূত হতে। কিন্তু স্ত্রীর কাছেতো নিজের বীরত্ব প্রদর্শনের জায়গা নয়। স্ত্রীর উপর তো স্বামীর ক্ষমতা আর দাপট দেখানোর স্থান নয়। কাপুরুষ তো ওই ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে বীরত্ব দেখায়, শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে। অথচ একজন প্রকৃত আদর্শবান এবং উত্তম মানুষ তো ওই ব্যক্তি, যে তার ঘরের মানুষের কাছে উত্তম হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেছে।
    একজন অপরিচিত মেয়েমানুষ যখন আপনার ঘরে স্ত্রী হিসেবে প্রথম পা রাখে, তখন তার ভেতর কী পরিমাণ অনিশ্চয়তা, অসহায়ত্ব কাজ করে, একটু অনুধাবনের চেষ্টা করুন।
    তার ভেতরকার তোলপাড় অবস্থা গভীরভাবে বুঝার চেষ্টা করুন। নিজের জন্মভিটা, ঘর-বাড়ী, মাতা-পিতা, আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে আপনাকে একমাত্র অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে আজীবনের তরে।
    তাকে আপন করে নিয়ে সবার শূন্যতা আপনাকেই পূরণকরতে হবে। সব শূন্যতা আর অসহায়ত্ব
    দূরীকরণে একজন আদর্শ স্ত্রীর জন্যে একজন আদর্শ স্বামীই যথেষ্ট।
    হোক না অভাব-অনটনের সংসার। থাকুক না শখ মতো,পছন্দসই কোনো কিছু দিতে না পারার খেদ। একজন আদর্শ স্ত্রী কখনোই আপনাকে এসবের জন্যে কষ্ট দেবে না, এনে দিতে হবে বলে বায়না ধরবে না।
    একজন স্ত্রী সবার ভালোবাসা, আদর, সোহাগ ত্যাগ করে আপনার ভালোবাসা, একটু আদর, একটু মমতার দাবীদার
    হয়ে আপনাকে বরণ করে নিয়েছে, জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। এখন আপনি যদি,
    স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সব বাহাদুরীর বহিঃপ্রকাশ ঘটান, আপনার সব বীরত্ব স্ত্রীর উপর প্রয়োগ করেন,আপনার সব ক্ষোভ স্ত্রীর উপর ঝাড়েন, আপনার ভেতরকার হিংস্রতা স্ত্রীর জন্যেই বরাদ্ধ রাখেন, তখন কেঁদে কেঁদে এই বেচারীর জীবন পার করা ছাড়া উপায়ান্তর থাকে না।
    অশ্রুকে সঙ্গী করেই দুর্বিষহ জীবনযাত্রা আর
    স্বপ্নভঙ্গের গ্লানি টানতে টানতে এক সময়
    জীবনযুদ্ধে পরাজয় বরণ করে নিতে হয়।

    স্ত্রীরা যে ধোয়া তুলসীপাতা, তা নয়। তারা তো সৃষ্টিগতভাবেই বাঁকা প্রকৃতির। তাদের ঘাড়-ত্যাড়ামি স্বভাব তো জগতজুড়া। তাই বলে তাদের পিটিয়ে সম্পূর্ণ সোজা করে ফেলবেন, এমন সাধ্য আপনার নেই।
    বক্রতাকে সঙ্গী করেই চলতে হবে আপনাকে।
    কৌশলে বশে আনতে হবে। দেখবেন আপনার
    স্ত্রীর সব আয়োজন শুধু আপনাকে ঘিরেই। সারাক্ষণ তার ধ্যান-জ্ঞান আর হৃদয়জুড়ে শুধু আপনিই আপনি।

    @azimafhn

Design a site like this with WordPress.com
Get started