Blog

  • ভালবাসা আর ভালো রাখা এক নয়..!!

    জীবনে ভালোবাসার মানুষটার চেয়ে ভালোরাখতে পারার মানুষটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসার মানুষগুলো অসংখ্য হলেও ভালোরাখতে পারার মানুষ খুব বেশি নয়। প্রচন্ড ভালোবাসার পরও অনেকেই ভালো রাখতে পারে না। কিন্তু যে ভালোরাখতে পারে সে ভালোও বাসতে পারে। কারণ ভালোরাখার জন্য অবশ্যই ভালোবাসার প্রয়োজন হয়। ঠিক ভালোবাসার জন্যও ভালোরাখতে জানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেএেই আজকাল মানুষ ভালোবাসতে পারলেও ভালোরাখতে জানে না। মানুষ যাকে ভালোবেসে একটু ভালো থাকতে চায়, দিনশেষে সেই মানুষটার কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়।

    আমরা কাউকে ভালোবাসতে পারি, প্রচন্ড পরিমাণে ভালোবাসতে পারি। কিন্তু আমরা সেই ভালোবাসাটাকে ভালোরাখতে জানি না। তীব্র ভালোবাসাটুকো’ও একসময় অনাদর আর অযত্নে পাল্টে যেতে শুরু করে। অথচ কত সযত্নে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিলো মানুষটাকে। আমরা সব ভুলে যাই, মানুষটাকে অবহেলা করতে শুরি করি। অপরদিকে মানুষটা চাপা অার্তনাদে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যেতে থাকে। স্বপ্নের মৃত্যু হয়, প্রত্যাশার মৃত্যু হয়। মন থেকে মানুষটাও মরে যায়।

    শুধু ভালোবাসতে পারাটাই শেষ কথা নয়। ভালোবাসার মানুষটাকে আঁকড়ে ধরে সারাজীবন তার পাশে থেকে ভালো রাখার দায়িত্বটাও নিতে হয়। ভালোবাসার মানুষটাকে ভালো রাখতেও জানতে হয়। তখনই সত্যিকার অর্থে পূর্ণ্যতা পায় ভালোবাসা।

    লেখক- মেহেদী হাসান
    (রিপোষ্ট)

  • বাই-সাইকেল

    ‘বাইসাইকেল ধীরে ধীরে মেরে ফেলছে পৃথিবীকে!’
    ===================≠============
    কথাটি একজন ব্যাংকারের। তিনি যখন বিষয়টি ডিটেইলসে বলেন, বড় বড় অর্থনীতিবিদরাও তাতে চিন্তার খোরাক পেয়েছেন। আরবান সাইক্লিং ইনস্টিটিউট ব্যাংকার বলেন, একজন সাইক্লিস্ট দেশের অর্থনীতির জন্যে দুর্যোগ স্বরূপ। তিনি গাড়ি কিনেন না। ফলে গাড়ি কেনার জন্য ধারও করতে হয় না তাকে। একজন সাইকেল ব্যবহারকারী ইন্সুরেন্স করেন না। জ্বালানী কিনেন না, তাকে এমনকি গাড়ি মেরামত বাবদও কোনো খরচ করতে হয় না।
    ব্যাংকার আরো বলেছেন, যিনি সাইকেল চালিয়ে অভ্যস্ত, তাকে পার্কিং করার জন্যে কোনো পয়সা দিতে হয় না। সাইকেলের কারণে বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার ঘটে না, ফলে হাসপাতালও রোগী পায় না।

    সাইকেল চালানো মানুষ বহুলেইনের রাস্তাও ব্যবহার করে না। এমনকি লোকটি মোটাও হয় না সাইকেল চালানোর কারণে।

    ব্যাংকার বলছেন, অর্থনীতির জন্যে স্বাস্থ্যবান মানুষ মোটেও উপকারী বা প্রয়োজনীয় নয়। তাদের ডাক্তার দেখাতে হয় না। হাসপাতালে যেতে হয় না। ওষুধই কিনতে হয় না। তারা দেশের জিডিপিতে কোনো অবদান রাখে না।

    অন্যদিকে, ম্যাকডোনাল্ডসের একটা নতুন শপ হওয়া মানে কিছু লোকের চাকরি হওয়া। পাশাপাশি কমপক্ষে ৩০ জনের আয়ের সুযোগ করে দেয় নতুন দোকানটি। তারা হলেন ১০ জন হার্টের ডাক্তার, ১০ জন ডেন্টিস্ট এবং ১০ জন ডায়েটিশিয়ান ও পুষ্টিবিদ।

    সুতরাং ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন, সাইকেল কিনবেন নাকি ম্যাকডোনাল্ডসের দোকান? আর যারা পায়ে হাঁটে, তারা সবচেয়ে খারাপ। কারণ তারা একটি সাইকেলও কেনে না!

  • কাঁটা গলানোইলিশ

    আমার  জনপ্রিয় এই রেসিপিটি ছাপা হয়েছে, একটি অনলাইন পত্রিকায়। আশা করি অনেকের কাজে লাগতে পারে রেসিপিটি।


    “কাটা গলানো ইলিশ রান্না”

    “কাটা গলানো ইলিশ রান্না বা স্মোকি ইলিশ”

    কাটার ভয়ে যারা মাছ খেতে ভয় পান বা বাচ্চাদের কাটার ভয়ে মাছ খাওয়ান না, তাদের জন্য স্বস্তিদায় এক রেসিপি এটি।

    *ইলিশ মাছ- ৪টুকরা *পেঁয়াজ বাটা-২টেবল চামচ *পেঁয়াজ কুঁচি -১টেবল চামচ *টকদই -১টেবল চামচ *সিরকা ১চা চামচ *সরিষার তেল-১/৪ কাপ *লবন- স্বাদ মত *হলুদ গুড়া-১/২ চা চামচ  *মরিচ গুড়া-১/২ চা চামচ *ধনে গুড়া-১/২ চা চামচ *আদা রসুন বাটা -১/২ চা চামচ *কাঁচা মরিচ -৩/৪টা *পানি-১ কাপ

    মাছ ও কাঁচা মরিচ বাদে সব মশলা এক সাথে মিশিয়ে নিতে হবে।এর পর মাছ গুলোও মশলায় মাখিয়ে উঠিয়ে নিন। এবার প্রেশার কুকারে  মাছ গুলো বিছিয়ে দিন। মশলা গুলো উপরে ঢেলে দিন।মশলার পাত্রে ১কাপ পানি দিয়ে ধুয়ে পানি কুকারে দিয়ে ঢাকনা বন্ধ  করে নিন। এবার চুলা হাই হিট এ ১০ মিনিট রেখে কম আচে ১ ঘন্টা রান্না করে নিতে হবে। ভয় নেই মাছ গলবে না। মাছগুলো সাবধানে উঠিয়ে নিতে হবে। ঝোলে কাঁচা মরিচ দিয়ে জ্বাল দিয়ে ঝোলটা ঘন করে নিতে হবে নিজের পছন্দ মত। এবার মাছ দিয়ে কিছুখন জ্বাল দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে। গরম ভাতে খুবই দারুণ লাগে খেতে। কোনো কাটা লাগবে না। মাছের সাথে কাটা মিশে যাবে। বাচ্চারাও খেতে পারবে অনায়াসে।

    রেসিপি দিয়েছেন : কানিজ ফাতেমা রুমা

    রুমা’স কিচেন।

  • আমরা কোথায় যাচ্ছি

    পাঠকের_লেখাঃ ০১

    বরাবরের মতোই, আমি ভিন্ন ধরনের লেখা পোষ্ট করতে পছন্দ করি। আজকের লেখাটি নোয়াখালী জেলার চাটছিল থানা থেকে একজন ভাই পাঠিয়েছে ন।——–তিনি লিখেছেন
    আমরা আসলে কই যাইতেছি?🙃
    কোথায় গিয়া থামব? 🤷‍♀️

    বেতন ১ লাখ টাকা হলে থামব? 😙
    কিন্তু আমি তো দেখতেছি যার বেতন ১ লাখ, সেও অস্থির!
    সেও যেন কোথায় যাওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছে! সে চায় কী?

    ৪ লাখ টাকা বেতন পাওয়া লোকটা ঠিক কোন কারণে কলিগের পেছনে লাগে? সে আর কী চায়?

    ঢাকায় আমার একটা বাড়ি হলে থামব? আমি তো ঢাকার বাড়িওয়ালাকেও স্থির দেখি না। সেও ছুটছে আরেকটা বাড়ি করার উদ্দেশ্যে।

    ৩টা বাড়ির মালিক কেন চাচাতো ভাইয়ের জমি দখল করে? সে আর কী চায়?

    আমার ইচ্ছা করে থেমে থাকতে। উপরে বা নিচে— কোথাও আমার গন্তব্য নেই। শুধু ম্যাচিউর হয়ে বেঁচে থাকতে চাই। ভালো মানুষ হতে চাই।কিন্তু যখন দেখি টাকা ছাড়া সমাজে, পরিবারে কোথাও মূল্যায়ন নাই, তখন তা আমাকে ভাবায়, পীড়া দেয়।

    ভাই ভাইকে খুন করে,
    ভাবি দেবের সাথে চলে যায়, দুই সন্তানের মা কেও দেখি স্থির নাই,
    ঢাকার আনায় কানায় ৩০০০০ হাজারের বেশি আবাসিক হোটেল, সেখানেও শান্তি নাই,
    ওটিটি ফ্ল্যাটফর্মে যৌনতায় ভরপুর।
    কলগার্লে ভরে গেছে প্রতিটা শহর।
    কোথায় থামবো আমরা,, জানি না।।
    জানার চেষ্টাও করি না।
    শুধু বলবো—
    আমরা যদি ধর্মীয় শিক্ষায় ও চর্চায় প্রতিটা শিশুকে এবং পরিবার কে জড়াতে পারি তবেই এর একমাত্র সমধান হতে পারে বলে আমি মনেকরি।।। যেখান থেকে আমরা এখনো বহুদূর 😔😔😞

    AFHN

  • খবর দিও

    তোমার ব্যস্ততা ফুরালে আমাকে বলো ,
    তোমার আমার কথা হবে , চোখের পলক
    না ফেলে আমি তোমাকে ভরা জোছনায় ,
    মন ভরে দেখবো ।

    তোমার সমস্ত নিজের ভুবনে ডুবে থাকা
    কাজ ফুরালে খবর দিও ,
    আমি এক উঠোন জোড়া শীতল পাটি
    বিছিয়ে গল্প জুড়বো ।

    আমার কতদিন তোমাকে বলা হয়না
    ভালোবাসি , কতদিন তোমার কোলে
    মাথা রেখে বলি না আমার মাথায়
    হাত বুলিয়ে দেও , অথচ রোজ ভাবি
    এই বুঝি তোমার অবসর মিলবে ।

    তোমার ব্যস্ততা ফুরালে , আমাকে বলো
    আমি একটু কাঁদতে চাই তোমার বুকে
    আমি ভীষণ , বিরক্ত আমিটাকে নিয়ে
    আমি তোমার কাছে কিছুক্ষন বসতে চাই ॥

    ~খবর দিও

  • আস-সুদাইস

    মক্কা-মদিনার প্রধান ইমাম আল্লামা সুদাইসির অজানা তথ্যঃ*


    দরদি ও আবেগঘন কণ্ঠে কুরআন তেলাওয়াতের জন্য বিশ্বব্যাপী ব্যাপক সমাদৃত ড. শায়খ আল্লামা আব্দুর রহমান আস-সুদাইসি। যিনি খুব শৈশবকাল থেকেই নিষ্কুলুষ জীবন-যাপনে নিজেকে নিয়ে গেছেন অনন্য উচ্চতায়।বর্তমানে তিনি মুসলিম উম্মাহর দুই পবিত্রতম স্থান মসজিদ আল-হারাম (কাবা শরিফ) ও মসজিদে নববি’র (মদিনা) প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরা হলো। যা মানুষের জীবনকে সুন্দরভাবে পরিচালনায় প্রভাব রাখবে-

    তার পূর্ণাঙ্গ নাম : আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল আজিজ আস –সুদাইস।

    জন্ম : ১০ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০ সালে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদ শহরে তার জন্ম। তিনি ‘আনাজ কালন’ আরব উপজাতি সম্প্রদায়ের অন্তর্ভূক্ত। তার পিতার নাম আব্দুল আজিজ ও মাতার নাম ফাহদা রউফ।কুরআন হিফজ : ১২ বছর বয়সেই তিনি পবিত্র কুরআন হিফজ সম্পন্ন করেন।

    শিক্ষাগত যোগ্যতা– ১৯৭৯ সালে ব্যাচেলর ডিগ্রি অর্জন করেন।- ১৯৮৩ সালে রিয়াদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্মান ডিগ্রি অর্জন করেন।- ১৯৮৭ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন।- ১৯৯৫ সালে তিনি ‘ইসলামি শরিয়াহ’ বিষয়ে (পিএইচডি) ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।

    কর্মজীবন : তিনি পড়াশোনা শেষে নিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন।

    ইমামে দায়িত্ব : ১৯৮৪ সালে তিনি কাবা শরীফের ইমাম হিসেবে নিযুক্ত হন। একই বছর জুলাই মাসে তিনি প্রথম পবিত্র কাবা শরীফে জুমআর খোতবা দেন। তখন তার বয়স হয়েছিল মাত্র ২৪ বছর।সেরা ইসলামিক ব্যক্তিত্ব : ২০০৫ সালে বছরের সেরা ইসলামিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে ‘ইসলামিক পারসনালিটি অব দ্য ইয়ার’ (Islamic Personality Of the Year) নির্বাচিত হন। বিশ্বব্যাপী তিনি ইসলাম বিদ্বেষীদের সামনে সন্ত্রাসবাদ ও বোমা হামলা বিষয়ে ভুল ধারণা নিরসন এবং ইসলামের শান্তিপূর্ণ অবস্থানের কথা স্পষ্ট করেন।

    মক্কা ও মদিনার দায়িত্ব ও মন্ত্রীর পদমর্যাদা লাভ : ২০১২ সালে মন্ত্রীর পদমর্যাদায় মক্কা ও মদিনার দুই পবিত্র মসজিদের প্রেসিডেন্সি প্রধান হিসেবে দায়িত্ব লাভ করেন।

    উল্লেখ্য যে, শায়খ সুদাইসি বিশ্বাস করেন যে, তার মায়ের দোয়ায় আল্লাহ তাআলা তাকে কাবার ইমাম হিসেবে কবুল করেছেন। কারণ ছোট বেলায় তার মা এ বলে দোয়া করেছিলেন যে, ‘আল্লাহ তোমাকে হারামাইনের ইমাম বানিয়ে দিন।’

    সর্বোপরি বিশ্বব্যাপী তিনি কুরআনের সুমধুর তেলাওয়াতের জন্য মুসলিম উম্মাহর হৃদয়ে কুরআনের পাখী হিসেবে চির জাগ্রত হয়ে থাকবেন।

  • শাহরাস্তি উপজেলা..!!

    শাহরাস্তি_উপজেলাঃ

    ব্রান্ডিংজেলা চাঁদপুর কে নিয়ে মানুষের কৌতুহলের কোন কমতি নেই। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে চাঁদপুর বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা।
    চাঁদপুরে ০৭ টি পৌরসভা, ৮ টি উপজেলা, ৮ টি পুলিশ থানা,২ টি নৌ থানা, ১ টি কোস্ট গার্ড স্টেশন,১ টি রেল থানা রয়েছে।।

    উপজেলাগুলোহচ্ছেঃ

    ☞চাঁদপুর সদর উপজেলা
    ☞হাজীগঞ্জ উপজেলা
    ☞কচুয়া উপজেলা
    ☞ফরিদগঞ্জ উপজেলা
    ☞মতলব উত্তর উপজেলা
    ☞মতলব দক্ষিণ উপজেলা
    ☞হাইমচর উপজেলা
    ☞শাহরাস্তি উপজেলা
    সেই ধারাবাহিকতা অনুযায়ী আজকে আমরা শাহরাস্তি উপজেলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো।।

    শাহরাস্তি, বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। যা চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। এই উপজেলার পোস্ট কোড
    ৩৬২০ এবং প্রশাসনিক বিভাগের কোড ২০১৩৯৫ ।
    শাহরাস্তি উপজেলার উত্তরে কচুয়া, পশ্চিমে হাজীগঞ্জ, দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলা, পূর্বে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা ও লাকসাম উপজেলা এবং উত্তর-পূর্বে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা অবস্থিত। এ উপজেলার আয়তন ১৫৪.৮৩ বর্গ কিলোমিটার (৩৮,২৫৫ একর)

    ইতিহাসঃ ১৯৮৩ সালে ১৫ই অক্টোবর তৎকালীন আই,জি মোঃ হোসাইন আহাম্মদ ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ডঃ এম. এ. ছাত্তারের প্রচেষ্টায় হাজীগঞ্জ থানা/উপজেলা পূর্ব অংশ নিয়ে শাহরাস্তি উপজেলার যাত্রা শুরু হয়। ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে সৃষ্টি এ উপজেলায়, বাংলাদেশে আগত ৩৬০ জন আউলিয়ার মধ্যে হযরত রাস্তিশাহ (রহ.) এর মাজার অবস্থিত। এতে উক্ত উপজেলার সাধারণ মানুষ এ উপজেলার নাম হযরত রাস্তিশাহর (রহ.) নামানুসারে করার সমর্থন দেন। সেই থেকে এই উপজেলার নাম শাহরাস্তি উপজেলা নামকরণ করা হয়। ১৯৯৮ সালে শাহরাস্তি পৌরসভা প্রতিষ্ঠত হলে এটি পৌর শহরের মর্যাদা লাভ করে।

    শাহরাস্তি উপজেলায় পৌরসভা একটি এবং তাহলো শাহরাস্তি পৌরসভা এবং বর্তমান ইউনিয়ন ১০ টি। তাহলোঃ-
    টামটা উত্তর, টামটা দক্ষিণ, মেহের উত্তর, মেহের দক্ষিণ, রায়শ্রী উত্তর, রায়শ্রী দক্ষিণ, সূচীপাড়া উত্তর, সূচীপাড়া দক্ষিণ, চিতোষী পূর্ব এবং চিতোষী পশ্চিম।। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম শাহরাস্তি থানার আওতাধীন।

    শাহরাস্তি থানার আওতাধীন —
    ১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০১ টি
    ২ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৩ টি
    ৩ উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা) ৩২ টি
    ৪ উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) ২ টি
    ৫ দাখিল মাদ্রাসা ১০ টি
    ৬ আলিম মাদ্রাসা ৪ টি
    ৭ ফাজিল মাদ্রাসা ৫ টি
    ৮ কামিল মাদ্রাসা ১ টি
    ৯ কলেজ(সহপাঠ) ৪ টি
    ১০ কলেজ (বালিকা) ১ টি এছাড়াও এশিয়া মহাদেশ পরিচিত কাওমি মাদ্রাসা “খেড়িহর আল জামিয়া মাদ্রাসা” এই উপজেলায় অবস্থিত।।
    এছাড়াও এখানে
    ✔মসজিদ-৪৩৩
    ✔এতিমখানা সরকাটি ৬ টি বেসরকারি ২৩ টি।
    ✔বাজার ৩২ টি
    ✔পোষ্ট অফিস/সাবঃ পোঃঅফিস ৩৮ টি
    ✔মন্দির ৫ টি
    ✔ব্যাংক শাখা (তফসিল) ১৫ টি

    ভ্রমণ প্রিয় মানুষের কাছেও এই উপজেলা সম্পর্কে জানার আগ্রহের কোন কমতি নেই।। এখানে আছে-
    ➤কাদরা ইংরেজ বাড়ি
    ➤হযরত শাহরাস্তি (রহ) মাজার
    শাহরাস্তি মাজার সংলগ্ন দীঘি
    ➤নাটেশ্বর রায়ের দীঘি
    ➤শ্রী শ্রী মেহার কালীবাড়ি
    ➤নাওড়া মঠ ও দীঘি
    ➤সাহাপুর রাজবাড়ি
    ➤ঘুঘুশাল মনবাগান
    ➤খিলা বাজার ব্রীজ
    ➤উঘারিয়া অষ্টগ্রাম কেন্দ্রীয় জা’মে মসজিদ
    ➤শাহরাস্তি (রহ) বাজার জামে মসজিদ
    ➤নোয়াগাঁও ঐতিহাসিক বড়বাড়ি জামে মসজিদ
    ➤ডাকাতিয়া নদী
    ➤খেয়াঘাট ক্যাফে
    ➤রিভার ভিউ ক্যাফে।।

    যেসকল ব্যক্তিবর্গের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজকের শাহরাস্তি উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের মধ্যে
    উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগণ হলেন–
    ⇨রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম), মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য (চাঁদপুর-০৫)
    ⇨আবদুল ওয়াদুদ খান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাবেক সাংসদ।
    ⇨মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন:-বীর উত্তম
    ⇨সাবেক আইজিপি মোঃ হোসেন।
    ⇨ড. এম এ সাত্তার, বেইস এনজিও এর প্রতিষ্ঠাতা,গণ বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা।
    এছাড়াও এ উপজেলায় অনেক জ্ঞানী গুণী রয়েছেন। যাদের নাম না বললেই নয়-
    ➤মুফতি আব্দুল মালেক(এশিয়া মহাদেশের সেরা পাঁচজন মুফতির মধ্যে একজন
    ➤রৌশন আরা বেগম। (বাংলাদেশের প্রথম নারী পুলিশ সুপার)
    ➤ফরিদ উদ্দীন চৌধুরী (ফরিদ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়, আয়নাতলী বাজার মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা)
    ➤হোসাইন আহমেদ(বিশিষ্ট ইসলামিক ব্যক্তিত্ব)

    এছাড়াও আমার অজানা অনেক তথ্য থাকতে পারে।।কমেন্ট করে জানিয়ে দিলে সংশোধন করে দিবো অবশ্যই।।।

Design a site like this with WordPress.com
Get started