Blog
-
কাউকে ভালোবাসো..?
কাউকে ভালোবাসো ?
তাহলে নিজেকে ততটুকু যোগ্য করে তোল সে মানুষটার জন্য বেঁচে থাকার ।কাউকে ভালোবাসো ? তবে নিজেকে ততটুকুই ভালোবাসো যতটুকু ভালোবাসলে সে তোমাকে ভালোবাসতে বাধ্য ।
এই যে বিরহ বলো মধুর , এই যে কাপুরুষের মত বলো মরে যাওয়া সহজ তবে মরেই যাও । কারন কিছু ভালোবাসা সেক্রিফাইজের আহুতি দিয়ে তৈরী ওটা ভালোবাসা না । তুমি বাজারে গেলে কাপড় জড়ালে গায় , কিন্তু তুমি ভাবলে এই যে কাপড়টা পড়ার তুমি যোগ্য না এই অপারগতা তোমার দূর্বলতা । দূর্বল মানুষ কখনো কাউকে ভালোবাসতে পারে না ।কারন সে ডিসাইড করতে পারে না তার কি চাই ।
কাউকে ভালোবাসো ? তবে তার জন্য বাঁচো আজীবনের জন্য তাকে চাইতে থাকো । তার জন্য রাস্তা তৈরী করো যেখানে সে তোমার হয়েই জীবন পাড়ি দিবে । ভালোবাসলে নিজেকে গড়ো । পৃথিবীতে মানুষ একবারই জন্মায় , তার সাথে স্মৃতি তৈরী করো । একসাথে চেষ্টা করো জীবনের শেষ হাসিটা হাসার ।




-
খাওয়ারপরহাঁটবেন_কেন
ডা. অপূর্ব চৌধুরী

বলা হয় – খাওয়ার পর সঙ্গে সঙ্গে হাঁটা ঠিক নয় ! বিশেষ করে দিনের প্রধান তিনবেলা পেট ভরা ভারী খাবারের পর । কিন্তু এটি পুরোপুরি সঠিক নয় । খাওয়ার পর একটু হাঁটা, ওয়াশিংয়ের কিছু কাজ করা, ঘরের কোন কাজ করা, এমনকি পারলে দাঁড়িয়ে থাকা, শরীরের জন্যে ভালো । খাবার খেয়ে একটু বাহিরে হাঁটুন, ছাদে হাঁটুন, ঘরে হাঁটুন ।
প্রথম প্রশ্ন – কতটুকু হাঁটবেন ! দশ মিনিটের কম নয়, আবার বেশিও নয় । শরীরের গঠন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১৫ মিনিট । এর বেশি নয় ।
দ্বিতীয় প্রশ্ন – কেন এই অল্প সময় ! কারণ, এর চেয়ে বেশি হাঁটলে পেটে অস্বস্তি বোধ করবেন, শরীর খারাপ লাগবে । এতটুকু লিমিটেড হাঁটা আপনার শরীরের সেই উপকার টুকু করবে, যা আপনার দরকার, শরীরের দরকার ওই মুহূর্তে । কম করলে লাভ নেই, বেশি করলে ক্ষতি আছে । জোরে হাঁটবেন না তখন, রিলাক্স করে হাঁটবেন । অন্য সময় খালি পেটে জোরে হাঁটবেন ।
তৃতীয় প্রশ্ন – তাহলে এই অল্প হাঁটা কেন ! প্রথমত : যাদের ডায়াবেটিস আছে, তারা হাঁটবেন । যাদের হার্টে কিংবা রক্তে কোলেস্টেরোলে সমস্যা আছে, তারা এমন হাঁটবেন । যাদের এসব সমস্যা নেই, বাকিরাও হাঁটবেন । খানিক এমন হাঁটলে খাদ্য পরিপাকে হেল্প করে, খাদ্য মুভ করে অন্ত্রে । বিশেষ করে কনস্টিপেশন, আইবিএস, বুক জ্বালাপোড়া করা, অযথাই খাদ্যে গুরুপাক হয়, পেপটিক আলসার আছে, তাদের ক্ষেত্রে এমন অল্প হাঁটায় উপকার পাবেন ।
চতুর্থ প্রশ্ন – কেন ডায়াবেটিক রা এমন রেগুলার হাঁটবেন খাওয়ার পর । খাবারের পর সঙ্গে সঙ্গে শরীরে সবচেয়ে বেশি গ্লুকোজ বা সুগার বাড়ে । তখন শরীর দুর্বল লাগে, শরীরের অনেক ক্ষতি হয় । খাবারের পর সাময়িক অল্প সময় এই হাঁটা দ্রুত সুগার বেড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করে । যাদের ব্লাড সুগার বেশি থাকে, ইন্সুলিন নিতে হয়, তারা যদি খাওয়ার পর প্রতিবেলায় ১৫ মিনিট করে এমন হাঁটেন, সারাদিনে আপনার ৪৫ মিনিট থেকে একঘন্টা এমন হাঁটা হয়ে যাবে তাহলে । আলাদা করে হাঁটার সময় বের করতে হয় না ।
শরীর যেমনই থাকুক, হাঁটার চেয়ে উত্তম ব্যায়াম আর নেই । প্রতিবেলায় খাবার গ্রহণের পর এমন দশ মিনিট রুটিন করে নিলে আলাদা করে ব্যায়ামও করতে হয় না ।
-
আমরা কেমন পুরুষ..?
লেখাটি বিবাহিতদের জন্যে প্রযোজ্য হলেও
অবিবাহিতরাও আগামীর টিপ্ִস মনে করে পড়তে পারেন।
অনেক অক্ষম পুরুষকে দেখেছি বউ পেটাতে
সক্ষমতার পরিচয় দিতে। অনেক কাপুরুষ, ভীতু
প্রকৃতির লোককে দেখেছি বউয়ের সঙ্গে বীরত্ব
প্রদর্শন করতে। অনেক ভদ্র, শালীন ব্যক্তিকে
দেখেছি বউয়ের চৌদ্দগোষ্ঠী তুলে অশালীন
গালিগালাজ করতে। অনেক মুখোশধারী
ভালোমানুষকে দেখেছি স্ত্রীর বেলায় মূর্তিমান
আতঙ্করূপে আবির্ভূত হতে। কিন্তু স্ত্রীর কাছেতো নিজের বীরত্ব প্রদর্শনের জায়গা নয়। স্ত্রীর উপর তো স্বামীর ক্ষমতা আর দাপট দেখানোর স্থান নয়। কাপুরুষ তো ওই ব্যক্তি, যে তার স্ত্রীর সঙ্গে বীরত্ব দেখায়, শক্তিমত্তা প্রদর্শন করে। অথচ একজন প্রকৃত আদর্শবান এবং উত্তম মানুষ তো ওই ব্যক্তি, যে তার ঘরের মানুষের কাছে উত্তম হিসেবে প্রমাণ করতে পেরেছে।
একজন অপরিচিত মেয়েমানুষ যখন আপনার ঘরে স্ত্রী হিসেবে প্রথম পা রাখে, তখন তার ভেতর কী পরিমাণ অনিশ্চয়তা, অসহায়ত্ব কাজ করে, একটু অনুধাবনের চেষ্টা করুন।
তার ভেতরকার তোলপাড় অবস্থা গভীরভাবে বুঝার চেষ্টা করুন। নিজের জন্মভিটা, ঘর-বাড়ী, মাতা-পিতা, আত্মীয়-স্বজন ছেড়ে আপনাকে একমাত্র অবলম্বন হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে আজীবনের তরে।
তাকে আপন করে নিয়ে সবার শূন্যতা আপনাকেই পূরণকরতে হবে। সব শূন্যতা আর অসহায়ত্ব
দূরীকরণে একজন আদর্শ স্ত্রীর জন্যে একজন আদর্শ স্বামীই যথেষ্ট।
হোক না অভাব-অনটনের সংসার। থাকুক না শখ মতো,পছন্দসই কোনো কিছু দিতে না পারার খেদ। একজন আদর্শ স্ত্রী কখনোই আপনাকে এসবের জন্যে কষ্ট দেবে না, এনে দিতে হবে বলে বায়না ধরবে না।
একজন স্ত্রী সবার ভালোবাসা, আদর, সোহাগ ত্যাগ করে আপনার ভালোবাসা, একটু আদর, একটু মমতার দাবীদার
হয়ে আপনাকে বরণ করে নিয়েছে, জীবনসঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছে। এখন আপনি যদি,
স্ত্রীর সঙ্গে আপনার সব বাহাদুরীর বহিঃপ্রকাশ ঘটান, আপনার সব বীরত্ব স্ত্রীর উপর প্রয়োগ করেন,আপনার সব ক্ষোভ স্ত্রীর উপর ঝাড়েন, আপনার ভেতরকার হিংস্রতা স্ত্রীর জন্যেই বরাদ্ধ রাখেন, তখন কেঁদে কেঁদে এই বেচারীর জীবন পার করা ছাড়া উপায়ান্তর থাকে না।
অশ্রুকে সঙ্গী করেই দুর্বিষহ জীবনযাত্রা আর
স্বপ্নভঙ্গের গ্লানি টানতে টানতে এক সময়
জীবনযুদ্ধে পরাজয় বরণ করে নিতে হয়।স্ত্রীরা যে ধোয়া তুলসীপাতা, তা নয়। তারা তো সৃষ্টিগতভাবেই বাঁকা প্রকৃতির। তাদের ঘাড়-ত্যাড়ামি স্বভাব তো জগতজুড়া। তাই বলে তাদের পিটিয়ে সম্পূর্ণ সোজা করে ফেলবেন, এমন সাধ্য আপনার নেই।
বক্রতাকে সঙ্গী করেই চলতে হবে আপনাকে।
কৌশলে বশে আনতে হবে। দেখবেন আপনার
স্ত্রীর সব আয়োজন শুধু আপনাকে ঘিরেই। সারাক্ষণ তার ধ্যান-জ্ঞান আর হৃদয়জুড়ে শুধু আপনিই আপনি।







You must be logged in to post a comment.