তোমার সবচেয়ে বড় খুঁতটি খুজে বের করবে তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকজন । তাদের চোখে তুমি কখনই পারফেক্ট হতে পারবে না ।
তুমি একটু বেশি বুঝলে দোষ , তোমার কথায় তাদের কথা ফিরিয়ে দিলে বলবে বেয়াদপ । তুমি একটা ছেলের সমান বুঝলে বলবে পাকনা । তোমার গায়ের রংয়ের কিংবা আকৃতির কথা , তোমার বাবার সম্পত্তি কত আছে তার গণনা , তোমার বাবা বিয়ের সময় কি দিয়েছিল তার বর্ননা , এবং তাদের ভাগ্য কতটা খারাপ তোমার মত বউ এসেছিল বলে তার জাজমেন্ট তোমার শ্বশুর বাড়ীর লোকেরা করবে। তোমাকে মোটেও কষ্ট করে চিন্তা করতে হবে না এ বিষয়ে । এই ধাক্কা খেয়েও যদি চুপ করে থাকো তবে কেঁচোর মত মেরুদন্ড না থাকে তবে ভাল বৌ হতে পারবে । আর না হয় সর্বনাশ তুমি মেয়ে জাতীয় মানুষই হতে পারলে না এই ট্যাগটা সরাসরি তোমার গায়ে চাপিয়ে দিবে ।
স্বামী বেচারা যদি তোমাকে পছন্দ করে ও বিয়ে করে তবুও সে ম্যানুপুলেট হয়ে যাবে । আরে বইন এত নেগেটিভ মন্তব্যে কখনই কোন মানুষ পজেটিভ হতে পারে ? মোটেও না ।
বাংলাদেশের অধিকাংশ মেয়ের শ্বাশুড়ীর চাহিদা থাকে একজন স্মার্ট দেখতে সুন্দর , শিক্ষিত , লাজুক , ধনী পরিবার থেকে আসা ঘরের কাজে পারদর্শী কাজের বুয়া । যে সব রান্না করতে পারবে , সংসার সামলাতে পারবে , এবং ননদ দেবদের জন্য নিবেদিত প্রান থাকবে ।এই যে শাশুড়ী আম্মারা ২৫ বছর সংসার সামলালো তুমি আসার পর পরই তার পেনশন পাক্কা , যেই ঘরে ঢোকলে সেই তার মনে হতে থাকবে এই মেয়ে আমার কপি হবে নতুবা রিজেক্ট । তার আর তখন সংসারে কাজ করার মন থাকবে না কিন্তু মাতুব্বরি করার মন ঠিকই থাকবে।
এই যে একটা মেয়ে , কিছু না জেনে না বুঝে প্রচন্ড আদরে মানুষ হয়ে আসলো এই যে সংসার কুরুক্ষেত্রে তাকে শিখাতে আসবে টা কে বলো শুনি?একটা শ্বাশুড়ী হিসেবে নিজের বৌকে জাজমেন্ট না করে তার মেয়ে হিসেবে করলে কিন্তু এই সমস্যা গুলো থাকে না । কথায় কথায় বাপের বাড়ী থেকে কি শিখে এসেছো না বলে তাকে শ্বশুর বাড়ী থেকে ভালোবাসা দিয়ে শিখানো হয় তবে কখনই মনে হবে না একজন মেয়ের একজাষ্ট করতে না পারার কথা । ভালোবাসা হলো বিনিয়োগ একবার করলে লাভ সহ ফেরত আসে । যদি ভাল ফল পেতেই চান তবে বিনোয়োগ শিখো দু পক্ষেরই বিনিয়োগ প্রয়োজন তবে সংসার সুন্দর হবে ।
@bclr.bd

You must be logged in to post a comment.