শাহরাস্তি উপজেলা..!!

শাহরাস্তি_উপজেলাঃ

ব্রান্ডিংজেলা চাঁদপুর কে নিয়ে মানুষের কৌতুহলের কোন কমতি নেই। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের চট্টগ্রাম বিভাগের একটি প্রশাসনিক অঞ্চল। উপজেলার সংখ্যানুসারে চাঁদপুর বাংলাদেশের একটি “এ” শ্রেণিভুক্ত জেলা।
চাঁদপুরে ০৭ টি পৌরসভা, ৮ টি উপজেলা, ৮ টি পুলিশ থানা,২ টি নৌ থানা, ১ টি কোস্ট গার্ড স্টেশন,১ টি রেল থানা রয়েছে।।

উপজেলাগুলোহচ্ছেঃ

☞চাঁদপুর সদর উপজেলা
☞হাজীগঞ্জ উপজেলা
☞কচুয়া উপজেলা
☞ফরিদগঞ্জ উপজেলা
☞মতলব উত্তর উপজেলা
☞মতলব দক্ষিণ উপজেলা
☞হাইমচর উপজেলা
☞শাহরাস্তি উপজেলা
সেই ধারাবাহিকতা অনুযায়ী আজকে আমরা শাহরাস্তি উপজেলা সম্পর্কে বিস্তারিত জানানোর চেষ্টা করবো।।

শাহরাস্তি, বাংলাদেশের চাঁদপুর জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা। যা চট্টগ্রাম বিভাগের অন্তর্ভুক্ত। এই উপজেলার পোস্ট কোড
৩৬২০ এবং প্রশাসনিক বিভাগের কোড ২০১৩৯৫ ।
শাহরাস্তি উপজেলার উত্তরে কচুয়া, পশ্চিমে হাজীগঞ্জ, দক্ষিণে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলা ও নোয়াখালী জেলার চাটখিল উপজেলা, পূর্বে কুমিল্লা জেলার মনোহরগঞ্জ উপজেলা ও লাকসাম উপজেলা এবং উত্তর-পূর্বে কুমিল্লা জেলার বরুড়া উপজেলা অবস্থিত। এ উপজেলার আয়তন ১৫৪.৮৩ বর্গ কিলোমিটার (৩৮,২৫৫ একর)

ইতিহাসঃ ১৯৮৩ সালে ১৫ই অক্টোবর তৎকালীন আই,জি মোঃ হোসাইন আহাম্মদ ও পরিবার পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ডঃ এম. এ. ছাত্তারের প্রচেষ্টায় হাজীগঞ্জ থানা/উপজেলা পূর্ব অংশ নিয়ে শাহরাস্তি উপজেলার যাত্রা শুরু হয়। ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে সৃষ্টি এ উপজেলায়, বাংলাদেশে আগত ৩৬০ জন আউলিয়ার মধ্যে হযরত রাস্তিশাহ (রহ.) এর মাজার অবস্থিত। এতে উক্ত উপজেলার সাধারণ মানুষ এ উপজেলার নাম হযরত রাস্তিশাহর (রহ.) নামানুসারে করার সমর্থন দেন। সেই থেকে এই উপজেলার নাম শাহরাস্তি উপজেলা নামকরণ করা হয়। ১৯৯৮ সালে শাহরাস্তি পৌরসভা প্রতিষ্ঠত হলে এটি পৌর শহরের মর্যাদা লাভ করে।

শাহরাস্তি উপজেলায় পৌরসভা একটি এবং তাহলো শাহরাস্তি পৌরসভা এবং বর্তমান ইউনিয়ন ১০ টি। তাহলোঃ-
টামটা উত্তর, টামটা দক্ষিণ, মেহের উত্তর, মেহের দক্ষিণ, রায়শ্রী উত্তর, রায়শ্রী দক্ষিণ, সূচীপাড়া উত্তর, সূচীপাড়া দক্ষিণ, চিতোষী পূর্ব এবং চিতোষী পশ্চিম।। সম্পূর্ণ উপজেলার প্রশাসনিক কার্যক্রম শাহরাস্তি থানার আওতাধীন।

শাহরাস্তি থানার আওতাধীন —
১ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ১০১ টি
২ জুনিয়র উচ্চ বিদ্যালয় ৩ টি
৩ উচ্চ বিদ্যালয়(সহশিক্ষা) ৩২ টি
৪ উচ্চ বিদ্যালয়(বালিকা) ২ টি
৫ দাখিল মাদ্রাসা ১০ টি
৬ আলিম মাদ্রাসা ৪ টি
৭ ফাজিল মাদ্রাসা ৫ টি
৮ কামিল মাদ্রাসা ১ টি
৯ কলেজ(সহপাঠ) ৪ টি
১০ কলেজ (বালিকা) ১ টি এছাড়াও এশিয়া মহাদেশ পরিচিত কাওমি মাদ্রাসা “খেড়িহর আল জামিয়া মাদ্রাসা” এই উপজেলায় অবস্থিত।।
এছাড়াও এখানে
✔মসজিদ-৪৩৩
✔এতিমখানা সরকাটি ৬ টি বেসরকারি ২৩ টি।
✔বাজার ৩২ টি
✔পোষ্ট অফিস/সাবঃ পোঃঅফিস ৩৮ টি
✔মন্দির ৫ টি
✔ব্যাংক শাখা (তফসিল) ১৫ টি

ভ্রমণ প্রিয় মানুষের কাছেও এই উপজেলা সম্পর্কে জানার আগ্রহের কোন কমতি নেই।। এখানে আছে-
➤কাদরা ইংরেজ বাড়ি
➤হযরত শাহরাস্তি (রহ) মাজার
শাহরাস্তি মাজার সংলগ্ন দীঘি
➤নাটেশ্বর রায়ের দীঘি
➤শ্রী শ্রী মেহার কালীবাড়ি
➤নাওড়া মঠ ও দীঘি
➤সাহাপুর রাজবাড়ি
➤ঘুঘুশাল মনবাগান
➤খিলা বাজার ব্রীজ
➤উঘারিয়া অষ্টগ্রাম কেন্দ্রীয় জা’মে মসজিদ
➤শাহরাস্তি (রহ) বাজার জামে মসজিদ
➤নোয়াগাঁও ঐতিহাসিক বড়বাড়ি জামে মসজিদ
➤ডাকাতিয়া নদী
➤খেয়াঘাট ক্যাফে
➤রিভার ভিউ ক্যাফে।।

যেসকল ব্যক্তিবর্গের অক্লান্ত প্রচেষ্টায় আজকের শাহরাস্তি উপজেলা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে তাদের মধ্যে
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগণ হলেন–
⇨রফিকুল ইসলাম (বীর উত্তম), মুক্তিযুদ্ধের ১নং সেক্টর কমান্ডার, সাবেক সফল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বর্তমান মাননীয় সংসদ সদস্য (চাঁদপুর-০৫)
⇨আবদুল ওয়াদুদ খান, বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাবেক সাংসদ।
⇨মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন:-বীর উত্তম
⇨সাবেক আইজিপি মোঃ হোসেন।
⇨ড. এম এ সাত্তার, বেইস এনজিও এর প্রতিষ্ঠাতা,গণ বিদ্যালয় এর প্রতিষ্ঠাতা।
এছাড়াও এ উপজেলায় অনেক জ্ঞানী গুণী রয়েছেন। যাদের নাম না বললেই নয়-
➤মুফতি আব্দুল মালেক(এশিয়া মহাদেশের সেরা পাঁচজন মুফতির মধ্যে একজন
➤রৌশন আরা বেগম। (বাংলাদেশের প্রথম নারী পুলিশ সুপার)
➤ফরিদ উদ্দীন চৌধুরী (ফরিদ উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয়, আয়নাতলী বাজার মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা)
➤হোসাইন আহমেদ(বিশিষ্ট ইসলামিক ব্যক্তিত্ব)

এছাড়াও আমার অজানা অনেক তথ্য থাকতে পারে।।কমেন্ট করে জানিয়ে দিলে সংশোধন করে দিবো অবশ্যই।।।

Comments

Leave a comment

Design a site like this with WordPress.com
Get started