
জীবনে ভালোবাসার মানুষটার চেয়ে ভালোরাখতে পারার মানুষটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। ভালোবাসার মানুষগুলো অসংখ্য হলেও ভালোরাখতে পারার মানুষ খুব বেশি নয়। প্রচন্ড ভালোবাসার পরও অনেকেই ভালো রাখতে পারে না। কিন্তু যে ভালোরাখতে পারে সে ভালোও বাসতে পারে। কারণ ভালোরাখার জন্য অবশ্যই ভালোবাসার প্রয়োজন হয়। ঠিক ভালোবাসার জন্যও ভালোরাখতে জানাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বেশির ভাগ ক্ষেএেই আজকাল মানুষ ভালোবাসতে পারলেও ভালোরাখতে জানে না। মানুষ যাকে ভালোবেসে একটু ভালো থাকতে চায়, দিনশেষে সেই মানুষটার কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি কষ্ট পায়।
আমরা কাউকে ভালোবাসতে পারি, প্রচন্ড পরিমাণে ভালোবাসতে পারি। কিন্তু আমরা সেই ভালোবাসাটাকে ভালোরাখতে জানি না। তীব্র ভালোবাসাটুকো’ও একসময় অনাদর আর অযত্নে পাল্টে যেতে শুরু করে। অথচ কত সযত্নে আগলে রাখার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিলো মানুষটাকে। আমরা সব ভুলে যাই, মানুষটাকে অবহেলা করতে শুরি করি। অপরদিকে মানুষটা চাপা অার্তনাদে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে যেতে থাকে। স্বপ্নের মৃত্যু হয়, প্রত্যাশার মৃত্যু হয়। মন থেকে মানুষটাও মরে যায়।
শুধু ভালোবাসতে পারাটাই শেষ কথা নয়। ভালোবাসার মানুষটাকে আঁকড়ে ধরে সারাজীবন তার পাশে থেকে ভালো রাখার দায়িত্বটাও নিতে হয়। ভালোবাসার মানুষটাকে ভালো রাখতেও জানতে হয়। তখনই সত্যিকার অর্থে পূর্ণ্যতা পায় ভালোবাসা।
লেখক- মেহেদী হাসান
(রিপোষ্ট)
Leave a comment