উপকরণ- ১। সাদা ভিনেগার/সিরকাঃ ১/৪ কাপ ২। পানিঃ প্রয়োজন মত ৩। পাকা লাল মরিচ(শুকনো মরিচ নয়, পাকা লাল মরিচ): ৪-৬ টি ৪। রসুনঃ ২ কোয়া (খেতে না চাইলে বাদ দিন) ৫। চিনিঃ ১/২ কাপ ৬। লবণঃ ১/২ চামচ ৭। কর্ণ ফ্লাওয়ারঃ ২ টেবিল চামচ (সস কম ঘন চাইলে কম দিতে হবে)
চিলিসস
প্রণালীঃ♦️
১। সিরকার সাথে পানি মিশিয়ে ১/৪ কাপ সিরকাকে ১ কাপ করতে হবে। তারপর চিনি মিশিয়ে চুলায় আঁচে দিতে হবে। ২। রসুন মিহি কুচি করে নিতে হবে, যত ছোট সম্ভব। মরিচকেও মিহি কুচি করে নিতে হবে। চাইলে বীজ ফেলে দেয়া যায়। রাখলেও কোন সমস্যা নেই। ৩। রসুন ও মরিচ কুচি দিয়ে দিতে হবে সিরকার মিশ্রণে। ভালো করে জ্বাল দিতে হবে। লবণ দিতে হবে। ৪। ৩/৪ মিনিটের মাঝেই রসুন নরম হয়ে যাবে ও সুন্দর গন্ধ ছড়াবে। এবার পানিতে কর্ণ ফ্লাওয়ার গুলিয়ে এই মিশ্রণে মিশিয়ে দিতে হবে। ৫। নেড়ে নেড়ে জ্বাল দিতে হবে। সস পছন্দমতন ঘন হলে নামিয়ে নিয়ে ঠাণ্ডা করতে হবে। ৬। এবার বয়ামে ভরে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন।❤ বিঃদ্রঃ সসে মরিচের বীজগুলো ভেঙে দিতে পারলে সবচেয়ে উত্তম হবে।
কারো চেহেরার প্রেমে না পড়ে , কখনো কখনো কারো মনের ও আপনার প্রতি তার এক্টিভিটির প্রেমে পড়া উচিত । যে মানুষের চেহারা যত উজ্বল থাকে তাদের হিডেন সাইড ততটা ডার্ক থাকে ।আমরা মানুষরা জন্মগত ভাবে নিজের সৌন্দর্যের পূজারী ।
আর যে মানুষটা যতবেশি নিজের প্রেমে মুগ্ধ সে মানুষটা ততবেশি নার্সিসিষ্ট ব্যাক্তিত্ব সম্পূর্ন ।চলেন আগে জেনে নেই আপনি যাকে ভালোবাসেন সে মানুষটা নার্সিসিষ্ট ব্যাক্তি কিনা ? নার্সিসিষ্ট হচ্ছে সেইরকম নিজেকে বড় মনে করার এক উদ্ভট অসুস্থ চিন্তা! শুধু নিজেকে বড় বা খুব জ্ঞানী মনে করা তাদের স্বভাব , এই ব্যাধিতে আক্রান্ত ব্যক্তি নিজেকে খুব বিশেষ কিছু মনে করে ।আত্মপ্রেমে এত বেশি বিভোর থাকে যা বাস্তব অবস্হা থেকে একেবারে ভিন্ন ।এই ধরনের প্রেমিক অথবা প্রেমিকাদের সাথে কখন একজন সাধারন মানুষ সম্পর্কে জড়িয়ে সুখী হতে পারে না ।তাদের আচরনে প্রধান বিষয়গুলো হলো :-
*স্বার্থপর হতে পছন্দ করেন। *ধ্রুব প্রশংসা এবং প্রশংসা পছন্দ করেন । *কোনও অপরাধ বা লজ্জা ছাড়াই অন্যেকে শোষণ করেন। *অন্যকে খারাপ, ভয় দেখানো, বুলি বা বেল্টল করেন । *প্রায়োরিটি লিষ্টে সব সময় নিজেকে দেখতে প্রথমে ভালোবাসেন ।
তাই এদের সাথে ডিল করা কখনই সহজ না । কখনো যদি আপনার এদের সাথে ডিল করতে হয় আসুন জেনে নেই কিভাবে তাদের সাথে আচরন করা উচিত ।
১/আমরা বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তাদের ব্যখ্যা করে বোঝাতে চাই আমাদের যুক্তি-ভাবনা, এতে অপমানের বোধ তৈরী করে তাদের ।তারা বুঝে তো নাই, উল্টো আক্রমনাত্মক ভাব সৃষ্টি করে ।
২/তারা কারো অনুরোধ উপরোধেও কাজ করে না, তারা নিজেদের পারফেক্ট মনে করে ।তাই অন্যকে ছোট মনে করা স্বভাব তাদের ।কেননা কারো দু্র্বলতম জায়গায় আঘাত করা নার্সিসিস্টিক ডিসঅর্ডারের বড় লক্ষণ।
৩/তারা নিজের সমালোচনা কখনও নিতে পারেনা । তাদের কেউ সমালোচনা করলে সে তার প্রিয় মানুষ হলেও তাকে শত্রু ভাবা শুরু করে ।
৪/একজন নার্সিসিষ্ট প্রেমিক অথবা প্রেমিকার কাছে তার পার্টনার কখনও পারফেক্ট হয়না ।তাই তাদের জন্য হাজার সেক্রিফাইজ করলেও সে অনুতাপ আসবে না ।
তাহলে ,আমরা যারা এই ধরনের সম্পর্কে না চাইতেও জড়িয়ে যাই তাদের এ টাইপ এ্যাবিউস সম্পর্ক থেকে পরিত্রানের উপায় কি ? কয়েকটা সহজ হিসাব মিলিয়ে দেখতে পারেন হয়তবা , কাজে আসতেও পারে ।
অ্যবিউজকে অ্যালাও করলে নিজের আত্মসম্মান বোধ নষ্ট হয়। কাজেই ওই বর্মটি তৈরি করতে হবে যাতে অ্যাবিউজার সহজে আক্রমণের সুযোগ না পান,হাসি ও ঠাট্টার ছলে আপনাকে যখন তখন অপমান করার ।দরকার হলে বাউন্ডারী তৈরী করুন নিজেকে কখনই সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ছোট করবেন না । যৌনতায় না করা, ব্যক্তিগত বিষয়ে গোপনীয়তা রক্ষা সকলের মৌলিক অধিকার। এ বিষয়ে অ্যাবিউজারের লাগামছাড়া হস্তক্ষেপ মেনে নেবেন না।কখনও কখনও সে দুরন্ত হয়ে যাবে আপনার উপর অধিকার জমানোর জন্য আপনার আচরনে কখনও নেতি বাচক কিছু তার কাছে ধরা পরলেই সে মরিয়া হয়ে উঠবে আপনাকে হাসিল করার জন্য । কিন্তু পেয়ে গেলে আবার সেই একই রকম আচরন দিয়ে আপনাকে কষ্ট দিবে ।তখন আপনি তাকে ষ্টপ করুন ।করেছি , ভেবে দেখেছি এই ধরনের বাক্য বলুন । এই ধরনের বক্তব্য এক ধরনের দূরত্ব তৈরি করে। এই বাক্যগুলি আক্রমণের মুখে প্রতিরোধ হিসেবে ভালো। কতগুলি ক্ষেত্রে সম্পর্কের শক্তি নিহিত থাকে। চেষ্টা করুন সেই দিকগুলিকে উর্বর করতে, তাহলে সম্পর্কটি বাঁচবে, অন্য মানুষটিও নিজের ভুলটি বুঝতে পারবেন।প্রয়োজন মনে করলে কাউন্সেলারের সাহায্য নিন।
ছবি তোলাটা একেবারেই স্বাভাবিক হয়ে গেছে আমাদের সমাজে। যেই ছবি তোলাকে একসময় মানুষ হারাম (নিষিদ্ধ) মনে করতো এখন সেই ছবির ব্যাপারে কারো মধ্যে বাছবিচার দেখছি না। ছবি তোলার ব্যাপারে দ্বীন ইসলামের অবস্থান কী সেটা এখন বিবেচনা করতেও মানুষ ভুলে গেছে মনে হচ্ছে।
আমরা যখন ছোট ছিলাম, তরুন ছিলাম তখন আমাদের বলা হতো ছবি তোলা যাবে না, পহেলা বৈশাখের মেলায় যাওয়া যাবে না। ইত্যাদি ইত্যাদি।
কিন্তু এই যমানায় কেমন একটা অবস্থায় উপনীত হয়েছি আমরা, তাই না!
আমাদের যমানায় মক্তবের হুযুররা ছবি তোলার ব্যাপারে খুব কঠোর ছিলেন। স্কুলের ইসলাম শিক্ষার শিক্ষকগণও। উনারা একটা হাদীস বলতেন যে, “যেই ঘরে প্রানির ছবি টাঙ্গানো থাকে ও কুকুর প্রবেশ করে, সেই ঘরে আল্লাহর রহমত থাকে না। ” অর্থাৎ সেই ঘর রহমতশূণ্য!
তাই ঘরে ছবি টাঙ্গানো থাকলে হুযুরেরা ঐ ঘরে নামাজ পড়তেন না। ছবি ফেলে দিয়ে তারপর নামাজ পড়তেন। ঐসব হুযুরদের অনেক কারামতও আমরা লক্ষ করতাম! অনেক পরহেজগার ছিলেন উনারা।
২০০৮/৯ সাল পর্যন্ত দেখেছি প্রায় সব ঘরানার হুযুরেরা ছবি তোলাকে অপছন্দ করতেন এবং ছবি তোলা হারাম বলে ফতওয়া দিতেন।
কিন্তু আজকের যমানায় এসে কেমন যেন ছবির পতওয়া পরিবর্তন হয়ে গেলো! আমাদের আলেম ওলামাদের বড় একটা অংশই এখন ছবি তোলাকে খুবই স্বাভাবিক হিসেবে নিয়ে নিয়েছেন। প্রয়োজনে- অপ্রয়োজনে সব জায়গায়ই উনারা ছবি তোলেন। আগে যাদের বাবা-দাদারা ছবি তোলার বিরুদ্ধে অবস্থান নিতেন এখন উনাদের সন্তানরা ছবি তোলাকে হালাল করে নিয়েছেন মনে হচ্ছে। এটা বিবেচনায় নেয়া উচিত। (একটুয়ালি আমি জানিনা- উনারা হালাল হিসেবে তুলছেন নাকি হারাম জেনে তুলছেন!)
কারো বিরুদ্ধে বলা আমার উদ্দেশ্য নয়। ছবি তোলার ব্যাপারে পূর্বের যমানা ও এই যমানার একটা পার্থক্য তুলে ধরলাম শুধু!
I don’t have the ability to judge people by looking at pictures. I am Bangladeshi. A very ordinary man. Muslim But there is respect for all religions. Hight-5.7″. Age-35+
I am not addicted to white or black color. I’m looking for someone who fits me. I believe in work. So always seek happiness with little income. A little happy I want someone like that.
I want a partner who will stand by my bad times. Support will be given to stand up. I don’t want his money. He is the most precious asset in my eyes. I want all his love and maximum support. I cannot share it with others. If there is someone like that, knock me because at the end of the day I am human too. I also want to have company.
📧farhad17nur@gmail.com
Farhad
I’m looking for someone. If I find him, I will swarm around him like a bee. I will place his head in my little bosom so that he may find a safe haven of absolute peace. I will kiss his forehead and snout. Both of us will have a cup of tea. I am a lonely person. So I will try my best to make him my world. I will never read books, listen to stories from his mouth. Sometimes I will come from behind and hug him. I will eat any food cooked by him with full satisfaction. I want to go a long way by holding his hands.
তারা সব জায়গায় সুবিধা পায়, সেটা রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বলেন, সামাজিক ক্ষেত্রে বলেন আর কর্মক্ষেত্রেই বলেন, তারা সর্বোচ্চ সুবিধা পেয়ে থাকে।
বলতে গেলে পা চাটাদের একটা কোটাই থাকে আলাদা সর্বোপরি। অথচ এরা না কারো আপন হয়, না কারো বিশ্বস্ত হয়, না কারো নিজস্ব হয়।
এরা হয় সুবিধাবাদী, মেরুদণ্ডহীন টাইপের লোক। এদের নিজের কোন মতামত থাকেনা, নিজস্ব কোন হস্তক্ষেপ থাকেনা কোন কাজে। এদের মাঝে বিবেক মানবতা বলতেও কিছু থাকেনা। তবুও এরা অনেকের প্রিয় হয়ে থাকে,, এক কথায় বলতে গেলে, আমাকে বলতে হবে- এরা দেখতে মানুষের মতো। এদের একটা মাথা, দুটো কান, দুটো চোখ, দুটো হাত, দুটো পা ও আছে। তারপরেও এরা অমানুষ।।
ঐ যে প্রথমেই বললাম পা চাটা লোকদের সুপার পাওয়ার আছে।
মেকাপের বাংলা শব্দ যদি কেউ, কোন ছেলে আমাকে জিজ্ঞাসা করে আমি বলবো ঠক – এজন্যেই বলব একটা এবড়ো থেবড়ো মোটামুটি চেহারার মেয়েকে মেকাপ ঠিকঠাক সুন্দরী বলে রিপ্রেজেন্ট করে ।
মেকাপের কন্টরিং নাকটা সার্প করে ডাবল চেইন লুকায় , চোখের লেন্স চোখটা মায়াবী করে , চোখের ঘন পাপড়ী চোখটাকে প্রশস্ত করে । লিপষ্টিক ঠোঁটেকে আবেদময়ী করে তোলে ।
আমি বলব মেকাপের এই পুরো নাটকটাকে দেখে যদি কোন মেয়েকে কোন পুরুষ পছন্দ করে তাকে , বলবো সে ঠকে যাওয়াকে পছন্দ করলো ।আসলে মেয়েদের প্রেমে পড়তে হয় রান্না ঘরের বাসন মাজা ও কাপড় কাচার পর তার মুখের ঘেমে যাওয়ার লুক দেখে ।মেয়েটির ঘরে ফেরার সময় ক্লান্ত মুখ দেখে ।মেয়ের রেগে যাওয়া চেহারা দেখে । আর মেয়েটির বাচ্চামী স্বভাব দেখে ।
আর মেয়েদের প্রেমে পড়তে হয় তার বিতর্ক করার মানসিকতা দেখে । মেয়েদের প্রেমে পড়তে হয় তার জ্ঞান চর্চার অভ্যাস দেখে । তার হাতে রান্না খেয়ে তার কেয়ার করার অভ্যাস দেখে সে মেয়ের প্রেমের পড়তে হয় তুমুল ভাবে । মেয়েদের প্রেমে পড়তে হয় তার আগলে রাখার মানসিকতা দেখে ।
তারপর যদি সে মেয়েটির মেকাপ করে নিজেকে ফিট ও হিট রাখার ক্ষমতা থাকে ! তা বোনাস তবে গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি এমন টাইপ মেয়ের কোন ছেলে যদি তার প্রেমে পড়ে আর সে ছেলে জীবনেও ঠকবে না ।
You must be logged in to post a comment.